
কেন্দ্রের পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ থাকছিলেন দিল্লীর অশোকা হোটেলের ১৪৩৪ নং ঘরে।গত ছ-মাস ধরে থাকছিলেন তিনি।এ পর্যন্ত বিল হয়েছে ৩৫ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা।খাবার,লন্ড্রি ইত্যাদি নানাবিধ কাজে এই টাকা খরচ হয়েছে। পুরোটাকাটাই বকেয়া রয়েছে বলে জানা গেছে।এই খবর সংবাদমাধ্যমে উঠে আসার পরে সেই টাকা সুলতান আহমেদকে নিজের থেকে মিটিয়ে দেবার নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী।
দিল্লীতে বাংলো না পাওয়ায় বিদেশমন্ত্রী এম এস কৃষ্ণ এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শশী থারুরও পাঁচতারা হোটেলে উঠেছিলেন।বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার জন্য সরকার ব্যয়সঙ্কোচ নীতি গ্রহণ করে,তখনি এ ব্যাপারে শোরগোল পড়ে যায়।হোটেলের বিল নিজেরা মেটাচ্ছেন জানিয়েও ছাড় পাননি কংগ্রেসের এই দুই মন্ত্রী।অর্থম্নত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কড়া নির্দেশে এই বিলাশবহুল হোটেল ছাড়তে হইয় তাঁদের।
দু-দিন আগে প্লেনের ইকনমি ক্লাস ছেড়ে বিজনেস ক্লাসে এসে সামান্য বিতর্কে জড়ান সুলতান । আর সংবাদমাধ্যমমে হোটেলের খবর জানাজানি হতেই তাড়াতাড়ি
তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকেন মমতা।তাতে সুলতানকেও ডেকে পাথানো হয়।সুলতান আহমেদ বলেন,তিনি প্রথম বার সাংসদ ও মন্ত্রী।অত নিয়ম কানুন জানেন না।মন্ত্রী হওয়ার পর সংসদ থেকে বরাদ্দ সম্রাট হোটেলের ছোট ঘরে লোকজন আসায় অসুবিধা হচ্ছিল।তাই দফতরের অফিসার ও ইউনিয়নের লোকজনের পরামর্শে পাশের অশোকা হোটেলে ওঠেন তিনি।তবে সংসদীও দলের বৈঠকে তিনি বলেছেন,অশোক হোটেলে থাকার জন্য অতিরিক্ত যে খরচ হয়েছে যতশীঘ্র সম্ভব মিটিয়ে দেব।
পাঁচতারা এই হোটেলে দৈনিক কুড়ি হাজার টাকারও বেশি ভাড়ায় একটি স্যুইট নেওয়া হয়।প্রায় ছ-মাসে তারি বিল দাঁড়িয়েছে ৩৫ লক্ষাধিক টাকা।
No comments:
Post a Comment