

গতকাল হুগলির খানাকুল,আরামবাগ এবং পুরশুড়ার বেশ কিছু গ্রাম দখলকে কেন্দ্র করে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পরিস্থিতি এতটাই চরমে ওঠে যে বোমা-গুলি পর্যন্ত চলে। ঘটনায় একজন তৃণমুল সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই মারা যান। মৃতের নাম অনন্ত দোলুই(৪০)এবং ৬ জন তৃণমুল সমর্থক আহত হন । পরিস্থিতি ঠেকাতে এসে খানাকুল থানার ওসি সুকোমল দাস গুলিবিদ্ধ হন।আহত তিনজন তৃণমূল সমর্থক ও জখম ওসি সুকোমল বাবু কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এই ঘটনার কথা শোনামাত্র তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ও স্বরাষ্ট্রম্নত্রী পি চিদম্বরমের সঙ্গে কয়েক দফায় কথা বলেন। কথা বলেন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও। সোনিয়াকে তিনি বলেন,রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা যেখানে এসে ঠেকেছে , তাতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাই।পরে প্রণববাবু আলাদা করে চিদম্বরমের সঙ্গে কথা বলেন।মমতা বলেন,আমি প্রণবদাকে বলেছি এখনই কেন্দ্রীয় টিম পাঠানো দরকার।কারণ,রাজ্যে কোন আইনের শাসন নেই।আমাদের কর্মীদের সিপিএম নির্বিচারে হামলা চালাছে।মমতা জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি দল রাজ্যে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসবে বলে ঠিক হয়েছে।
বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যে সিপিএমের নেতৃত্বে যে সন্ত্রাস চলছে সে ব্যাপারে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষন করছিলেন মমতা, তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রম্নত্রী পি চিদম্বরমকেও আবেদন করেছেন।
এদিকে রাজ্য সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধি দলকে রাজ্যে আসার ব্যাপারে স্বাগত জানিয়েছে।রাজ্যের তরফে মূলতঃ কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের কাছে অভিযোগ করা হবে, তৃণমূল কংগ্রেসই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরী করছে। কারণ, তারা চাইছে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ করে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আনতে।