Monday, November 30, 2009

ইডেনে শুরু হল নাইট রাইডার্সের শিবির






আজ থেকে দুদিনের জন্য ইডেনে শুরু হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের শিবির। তাই গতকাল রবিবার শহরে পৌঁছন নাইট কোচ ডাভ হোয়াটমোর। আজ ইডেন থেকেই সৌরভ-হোয়াটমোর পার্টনারশিপ শুরু হল। ইডেনের পিচ ও আউটফিল্ড ভাল করে ঘুরে দেখেন হোয়াটমোর এবং মাঠের কর্মীদের কিছু নির্দেশ দেন । মূলত নাইট রাইডার্স দলে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে এই শিবিরে দেখা হল। এরআগে গুঁরগাওয়ের শিবিরে যা সম্ভব হয় নি। কারণ সেই সময় সিএবি-র ম্যাচ চলছিল। বাংলার পরের রঞ্জি ম্যাচ ৮ ই ডিসেম্বর। তাই সিএবি কর্তাদের সন্মতি নিয়েই মাঝের এই সময়ে শিবির করছে নাইটরা।তবে এই শিবিরে উপস্থিত নেই নাইটদের বোলিং উপদেষ্টা ওয়াসিম আক্রম।

ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মধু কোড়া গ্রেফতার






বেশকিছু দিন ধরে ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মধু কোড়ার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ উঠছিল। যার মধ্যে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী থাকা কালীন বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারি অন্যতম। আজ ঝারখন্ডের চাঁইবাসা থেকে সেই আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার করেছে ভিজিলেন্স কমিশন।

পশিমবঙ্গে ৩৫৬ জারি নয়ঃ পি.চিনম্বরম






আজ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, অবিলম্বে পশিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক।তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে এখনো পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ও কংগ্রেস সমর্থক খুন হয়েছেন।পশ্চিমবঙ্গের সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না,সরকারের নেতৃত্বে সন্ত্রাস চলছে।

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি.চিদম্বরম বলেন,’রাজ্যে ৩৫৬ধারা প্রয়োগের প্রশ্ন নেই,রাজ্যকে সাহায্য করাই উদ্দেশ্য’। অর্থাৎ চিদম্বরম বলতে চেয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা এতটা ভয়ঙ্কর অবস্থায় পৌঁছ্যনি যে এখনি ৩৫৬ ধারা জারি করার প্রয়োজন আছে,বরং আইনশৃঙ্খলা রুপায়নে রাজ্যকে সবরকম সাহায্য করবে কেন্দ্র। তিনি আরো বলেন,’রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত চায় না কেন্দ্র’।

চিদম্বরম বলেছেন, আজ সন্ধ্যাবেলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধি দল পশিমবঙ্গে উপস্থিত হবে। এই দলে ইন জন প্রতিনিধি আছেন। যাঁদের মধ্যে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব রয়েছন ও দুজন আধিকারিক থাকবেন।তাঁরা বিভিন্ন জেলা প্রশাসন ও রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।এছাড়াও বিভিন্ন উপদ্রুত এলাকা ঘুরে দেখবেন।

সংসদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধি দল পশিমবঙ্গে আসার ব্যাপারে বামফ্রন্টের সাংসদরা তুমুল বিরোধীতা করে। বিরোধী দলনেতা লালকৃষ্ণ আডবানী এই দাবীকে সমর্থন করেন।




আজ বিজেপির ডাকা বাংলা বনধ ব্যর্থ




দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টা বাংলা বনধ ব্যর্থ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কর্মনাশা বনধকে সমর্থন করেন না।বনধের ইস্যুতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিকেও যোগ করা হয়েছে।আজ মানুষ অন্যদিনের মত কাজে বেরিয়েছেন।তবে বেশ কয়েকটি জায়গায় বনধ সমর্থকরা জোর করে রাস্তা অবরোধ ও বনধ করায় কাজে বেরোনো সাধারণ মানুষ অসুবিধায় পড়েন।

আজ সকালে হাওড়ার বাস স্ট্যান্ডে বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা, এছাড়া বেশকিছু বাসে ভাঙচুর করা হয়, ৪৪ জনকে গ্রেফতার করে জিআরপি। হাজরা মোড়ে বনধ সমর্থকরা পথ অবরোধ করে ও ৫৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ,এদের মধ্যে বিজেপি নেতা তথাগত রায়ও ছিলেন।ভিআইপি রোডের কেষ্টপুর, বাগুইহাটি অঞ্চলে অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করে বনধ সমর্থকরা। সল্টলেকের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রেও হামলা চালায় বনধ সমর্থকরা, কর্মীদের কাজে যেতেও বাধা দেওয়া হয় এবং নিউটাউনের ডিএলফ বিল্ডিংয়ে ভাংচুর চালানো হয়। এই প্রথম কোন বনধকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর করা হল সল্টলেকের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র । কল্যাণী মোড় অবরোধ করে বনধ কারীরা।

বনধের প্রভাবে শিয়ালদহ মেন,শিয়ালদহ নর্থ, শিয়ালদহ দক্ষিণ, শিয়ালদহ-বজবজ ও রানাঘাট, বর্ধমান মেন ও কর্ড প্রভৃতি শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যহত হয়।ডানকুনি ষ্টেশনে প্রায় ২ ঘন্টা আটকে থাকে শতাব্দী এক্সপ্রেস।ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যেতেও বাধা দেওয়া হয়।আজকের বনধ সমর্থঙ্কারীরা রীতিমত গুণ্ডামি চালিয়ে জোর করে বনধ সফল করার চেষ্টা চালায়।তবে ধীরেধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি।

এদিকে মালদায় সরকারী অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়,ফাইল নষ্ট করে দেওয়া হয় এবং সরকারী কর্মীদের অফিস থেকে বের করে দেয় বনধ সমর্থকরা।

তৃণমুল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অভিযোগ,রাজধর্ম পালনে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। আজ সিপিএম ক্যাডাররা বিজেপি-র সাথে একত্রে গুণ্ডামি ও হামলা চালিয়েছে।

Saturday, November 28, 2009

ত্রিপুরার রাজ্যপাল হলেন ডি ওয়াই পাটিল


ত্রিপুরার দ্বাদশতম রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন ধ্যানদেও যশবন্ত রাও পাটিল। শুক্রবার রাজভবনের দরবার হলে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পাটিলকে শপথবাক্য পাঠ করান গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জে. চেলামেশ্বর। ত্রিপুরার প্রথম মহিলা রাজ্যপাল ড. কমলার স্থলাভিষিক্ত হলেন পদ্মশ্রী পাটিল। ড. কমলাকে গুজরাটের রাজ্যপাল করা হয়েছে। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারসহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

আজ খুশির ঈদুজ্জোহা




আজ ঈদুজ্জোহা। মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুষ্ঠান।এই উপলক্ষ্যে ভি এন এন বাংলার তরফ থেকে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেছা ও অভিনন্দন। আজ সকালে কলকাতার রেড রোডে নমাজ পড়া হয়।পাঠ করেন কাজী ফজরুল রহমান। এছাড়া নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ সহ রাজ্যের সমস্ত মসজিদ ও ঈদগাহতে নমাজ পাঠ ও প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতের শততম টেস্ট জয়





গতকাল কানপুরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট জয় ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক দিন। ভারত একদিন বাকী থাকতেই ম্যাচ জিতে যায়। এই টেস্টেই ভারত টেস্টের প্রথম দিন ব্যাট করে একদিনে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড করে।

এই টেস্ট বিভিন্ন কারনে ঐতিহাসিক। যেমন এই টেস্ট ভারতের শততম টেস্ট জয়। আবার এই জয় ভারতকে আইসিসি ক্রিকেট টেস্টে যুগ্মভাবে প্রথম স্থানে এনে দিয়েছে। ভারতের সাথে এই একই স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। উভয়ের সংগ্রহ ১২২ পয়েন্ট। এরপর ভারতের লক্ষ্য মুম্বাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্ট জয়।এই টেস্ট জিতে ভারত আইসিসি ক্রিকেট টেস্টে এককভাবে প্রথম স্থানে আসা ।


সিঙ্গুরে কিষান ভিশন প্রকল্প



আগামীকাল রবিবার সিঙ্গুরে যাবেন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।বাজেটে ঘোষনা মত সিঙ্গুরে দেশের প্রথম কিষান ভিশন প্রকল্পের সূচনা করবেন রেলমন্ত্রী । আলু,সবজি-সহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের নতূন আশ্রয়স্থল হবে সিঙ্গুর। এই প্রকল্প রুপায়িত হলে বহু কৃষক উপকৃত হবেন। প্রচুর মানুষ কাজ পাবেন। তাঁরা আর্থিক লাভবান হবেন। এই প্রকল্প রুপায়নের আশায় বুক বাঁধছেন অসংখ্য সিঙ্গুরবাসী।

আজ শালিমারে অটোহাবের শিলান্যাস হল


রেল-শিল্পায়নে আরো একধাপ এগোলেন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। আজ রেলের উদ্যোগে দেশের প্রথম অটোমোবাইল হাবের শিলান্যাস করা হল হাওড়ার শালিমারে।শিলান্যাস করলেন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশ ও বিদেশের কুড়িটি অটোমোবাইল সংস্থার শীর্ষকর্তারা,যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন টাটা মোটরস,হিরো হোন্ডা, টিভিএস, মারুতি প্রমুখ। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী, সুলতান আহমেদ, দীনেশ ত্রিবেদী,সৌগত রায়,মুকুল রায় চৌধুরী মোহন জাটুয়া,স্থানীয় সাংসদ অম্বিকা ব্যানার্জী প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতাকে শিল্পবিরোধী বলে প্রচার করেছিল সিপিএম।তার জবাব নির্বাচন গুলিতে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দিচ্ছেন বাংলার মানুষ।এখন দেখা যাচ্ছে, রাজ্য তথা দেশের শিল্পপতিরা মমতার স্বছ ও গতিশীল প্রশাসনিক কাজে উৎসাহিত হয়ে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এরআগে মমতা বণিকসভার মুখোমুখি হয়ে নিজের বাজেট ও শিল্পায়নের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।এখন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেশ ও বিদেশের শিল্পমহ্ল আগ্রহ দেখাচ্ছেন । আজ শালিমারে যে অটোমোবাইল হাবের শিলান্যাস হল এরকম সারা দেশে সবমিলিয়ে দশটি হাব করবে রেল।এই কাজ রেল ও সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারস যৌথ উদ্যোগে করবে। রেলের প্রাথমিক সমীক্ষা, সবকটি হাব হয়ে গেলে বছরে হাজার কোটি টাকা লাভ করবে রেল।শালিমারে যে হাবটি হবে সেখানে রেলের মালবাহী কন্টেনার মারফত দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থার অটোমোবাইল সংক্রান্ত পণ্য আসবে এবং শালিমার মারফত সেই সব পণ্য চলে যাবে সমগ্র পূর্বভারতের বাজারে।এই প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এই অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রেলের ল্যান্ডব্যাঙ্কে প্রায় ১ লক্ষ ১২ হাজার একর জমি রয়েছে। এই সমস্ত জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের শালিমার ছাড়াও শিলিগুড়িতেও অটোহাব করতে চান তিনি।

Friday, November 27, 2009

কানপুর টেস্টে জয় ভারতের






কানপুরে অনুষ্ঠিত ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় টেস্টে একদিন থাকতেই ম্যাচ জিতে গেল ভারত।ভারত এক ইনিংস ও ১৪৪ রানে পরাজিত করল শ্রীলঙ্কাকে।ভারত এই সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল। নীচে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু স্কোর দিলাম।
ভারত প্রথম ইনিংসে ৬৪২ রান করে।এই ইনিংসে ভারতের তিনজন ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেন। ভারতের হয়ে গৌতম গম্ভীর ১৬৭ রান, বীরেন্দ্র সেওয়াগ ১৩১ রান, রাহুল দ্রাবিড় ১৪৪ রান করেন, এছাড়া ভি ভি এস লক্ষণ ৬৩, যুবরাজ সিং ৬৭ ও শচীন তেন্ডুলকর ৪০ রান করেন।শ্রীলঙ্কার হেরাথ ৫টি,অজন্তা মেন্ডিস ২ টি, মুরলীধরন ২টি করে উইকেট পান।জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার সাঙ্গাকারা ৪৪ রান,মাহেলা জয়বর্ধনে ৪৭ ও প্রসন্ন জয়বর্ধনে ৩৯ রান করেন।ভারতের শ্রীশান্ত ৭৫ রান দিয়ে ৫টি উইকেট, পি.ওঝা ৩৭ রান দিয়ে ২ টি, হরভজন ৫৪ রান দিয়ে ২ টি ও জাহির খান ৫১ রান দিয়ে ১ টি করে উইকেট পান।
শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ২২৯ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে ফলোয়ান খেয়ে যায়।
শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।শ্রীলঙ্কার একমাত্র সমারাবীরা ৭৮ রানে নটআউট থাকেন,বাকীরা কেউই দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি।যেমন মাহেলা জয়বর্ধনে ১০, সাঙ্গাকারা ১১ ও পি.জয়বর্ধনে ২৯ রানে আউট হন। ভারতের হরভজন ৩ টি(৯৮ রান দিয়ে),পি.ওঝা ২টি (৩৬রান দিয়ে)এবং জাহির,শ্রীশান্ত,সেওয়াগ ও যুবরাজ ১ টি করে উইকেট পান।
ভারতের শ্রীশান্ত ম্যান অফ দি ম্যাচ পান।

উত্তপ্ত লোকসভা,রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল



গতকাল হুগলির খানাকুল,আরামবাগ এবং পুরশুড়ার বেশ কিছু গ্রাম দখলকে কেন্দ্র করে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পরিস্থিতি এতটাই চরমে ওঠে যে বোমা-গুলি পর্যন্ত চলে। ঘটনায় একজন তৃণমুল সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই মারা যান। মৃতের নাম অনন্ত দোলুই(৪০)এবং ৬ জন তৃণমুল সমর্থক আহত হন । পরিস্থিতি ঠেকাতে এসে খানাকুল থানার ওসি সুকোমল দাস গুলিবিদ্ধ হন।আহত তিনজন তৃণমূল সমর্থক ও জখম ওসি সুকোমল বাবু কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই ঘটনার কথা শোনামাত্র তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ও স্বরাষ্ট্রম্নত্রী পি চিদম্বরমের সঙ্গে কয়েক দফায় কথা বলেন। কথা বলেন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও। সোনিয়াকে তিনি বলেন,রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা যেখানে এসে ঠেকেছে , তাতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাই।পরে প্রণববাবু আলাদা করে চিদম্বরমের সঙ্গে কথা বলেন।মমতা বলেন,আমি প্রণবদাকে বলেছি এখনই কেন্দ্রীয় টিম পাঠানো দরকার।কারণ,রাজ্যে কোন আইনের শাসন নেই।আমাদের কর্মীদের সিপিএম নির্বিচারে হামলা চালাছে।মমতা জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি দল রাজ্যে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসবে বলে ঠিক হয়েছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যে সিপিএমের নেতৃত্বে যে সন্ত্রাস চলছে সে ব্যাপারে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষন করছিলেন মমতা, তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রম্নত্রী পি চিদম্বরমকেও আবেদন করেছেন।

এদিকে রাজ্য সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধি দলকে রাজ্যে আসার ব্যাপারে স্বাগত জানিয়েছে।রাজ্যের তরফে মূলতঃ কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের কাছে অভিযোগ করা হবে, তৃণমূল কংগ্রেসই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরী করছে। কারণ, তারা চাইছে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ করে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আনতে।

Thursday, November 26, 2009

এখনই ইস্তফা নয়ঃ বুদ্ধদেব






পদত্যাগ করার কথা ভাবলেও এখনই পদত্যাগ করছেন না বলে সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য। বিধানসভা ভোট এগিয়ে আনার ব্যাপারেও পক্ষপাতী নন তিনি।তাঁর কথায়,”হাতে এক বছর কয়েকমাস সময় রয়েছে, খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়।সেই সময়ের মুখোমুখি হতে চাই।এখনই পরাজিত,পরাস্ত হয়ে চলে আসা,আমরা মনে করছি, ঠিক হবে না।”

পরপর ভোটে ভরাডুবির পর বুদ্ধবাবুর মন্ত্রিসভার সদস্যরাই পদত্যাগ করে ভোটে যাওয়ার দাবি তুলেছিলেন।মন্ত্রী কিরণময় নন্দ মহাকরণে সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি তোলেন।এছাড়া পরোক্ষে আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা, সুশান্ত ঘোষ এই দাবীতে সরব হন। গতকাল বুধবার বেসরকারী টিভি চ্যানেল ২৪ ঘন্টাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী আগাম ভোটের সম্ভাবনাকে আরও একবার খারিজ করে দেন।

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে বুদ্ধবাবু তাঁর নানা ব্যর্থতার কথা বলেন।বলেন সিঙ্গুরে ও নন্দীগ্রামে ব্যর্থ হয়েছি, সংখ্যালঘুদের কাছে সাচার কমিটির রিপোর্টের জবাব দিতে ও জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে কৃষকদের প্রতিক্রিয়া বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি, লালগড়ে ব্যর্থ হয়েছি,রাজ্যের সাধারণ আইনকানুন রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছি।তিনি এও বলেন তাঁর সরকারের নীতিতে যে সাধারন মানুষের প্রতিক্রিয়া ভাল নইয় তা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচন খুব কঠিন হবে বা তাঁদের ভরাডুবি হতে পারে তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।কারণ, সমস্ত জায়গায় একটা আঞ্চলিক সমস্যা তৈরী হয়েছে। তিনি আশা করছেন সবকিছু ঠিক করা সম্ভব। যে টুকু সময় হাতে রয়েছে তা কাজে লাগাতে হবে, মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনতে হবে এবং তা মেটাতে হবে।মানুষের জন্য কাজ করাই এখন তাঁদের মুখ্য কাজ।

আজ ২৬/১১-র বর্ষপূর্তি




গত বছর আজকের দিনেই মুম্বাইয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। আজতার একবছর পূর্তি। এই কারণে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে।গতবছর আজকের দিনে জঙ্গি হামলায় আক্রান্ত ট্রাইডেন্ট হোটেলের ড্রাইভওয়েতে কোনও গাড়িকে সরাসরি যেতে দেওয়া হছে না। গাড়ির বনেট ও ডিকি খুলে চলছে যান্ত্রিক চেকিং।গাড়ি থেকে জিনিসপত্র নামিয়ে এক্স-রে মেশিনে পরীক্ষা করা হচ্ছে, যেমন থাকে বিমানবন্দরে।লবিতে ঢোকার মুখে মেটাল ডিটেক্টর দরজা।গতিবিধি নজর রাখার জন্য রয়েছে ক্লোজসার্কিট টিভি, রয়েছে স্নিকার ডগ, আগুন্তকদের ওপর নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞ নিরাপত্তারক্ষীরা। যন্ত্র দিয়ে চলছে দেহতল্লাশি।তারপরে মিলছে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি।এরকম কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে। কারণ, গত বছর ২৬শে নভেম্বর দুই পাক জঙ্গি ফদুল্লা ও শাকিব,আরডিএক্স বিস্ফোরন্ন করে তারপর গুলি ছুড়তে ছুড়তে ও গ্রেনেড ফাটিয়ে ট্রাইডেন্টের লবিতে। জঙ্গিদের তান্ডবে রিসেপশন,কফিশপ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।এরপর জঙ্গিরা রেঁস্তোরাতে বিস্ফোরণ করে ও কান্দাহার রেঁস্তোরাতে গিয়ে কয়েকজন বিদেশিকে পণবন্দি করে।বিদেশি-সহ এখানে মোট ৩৫ জন প্রাণ হারান।
ট্রাইডেন্টে ধ্বংসলীলা চালানোর পর লবি থেকেই সিঁড়ি বেয়ে ঢুকে জঙ্গিরা ঢুক্র পড়ে ওবেরয়ে।গুলিতে এখানেও প্রচুর মানুষ মারা যায়।জঙ্গিদের ছোঁড়া গ্রেনেড ফেটে আগুন ধরে যায় ওবেরয়ের বিভিন্ন তলায়।জঙ্গি হামলার চার সপ্তাহ পরে ট্রাইডেন্ট খুললেও, এখনও খোলেনি ২২ তলার ওবেরয়।

এরপর তাজ হোটেলেও আক্রমণ চালায় জঙ্গিরা।জঙ্গিদের গুলিতে মুম্বাই পুলিশের অনেক অফিসার, সাধারণ পুলিশকর্মী শহিদ হন।তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ মুম্বাইয়ের সর্বত্র প্রশাসনের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়।মুম্বাই পুলিশ সন্ত্রাসবাদী দমনে কি কি ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে তা প্রদর্শন করা হয়।শ্রদ্ধাঅর্পণ অনুষ্ঠানে পুলিশের পদস্থকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ কলকাতাতেও মুম্বাই হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান হয়।

উত্তপ্ত হুগলির খানাকুল,ওসি গুলিবিদ্ধ






আজ সকাল থেকেই হুগলি জেলার খানাকুলে গ্রাম দখলকে কেন্দ্র করে সিপিএম এবং তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।পরিস্থিতি এতটাই চরমে ওঠে যে বোমাবাজি পর্যন্ত ঘটে। সিপিএমের তরফেই তৃণমূল সমর্থকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এই ঘটনায় একজন তৃণমুল সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই মারা যান। মৃতের নাম অনন্ত দোলুই।এছাড়া চারজন তৃণমূল সমর্থক আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে কলকাতার এসএসকেম হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে ও একজনকে শ্রীরামপুরের ওয়ালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা চলাকালীন খানাকুল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। খানাকুল থানার ওসি সুকমল দাস সংঘর্ষ থামানোর চেষ্ঠা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।তাঁর কোমরে ও পায়ে গুলি লাগে, সঙ্গেসঙ্গে তাঁকে স্থানীয় খানাকুল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকেওকলকাতার এসএসকেম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিগত তিন-চারমাস ধরে হুগলির খানাকুল, গোঘাট,আরামবাগ অঞ্চলে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে সিপিএম ও তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ চলছে।তবু স্থানীয় প্রশাসন কোন কড়া পদক্ষেপ না নিয়ে, নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চলেছে।
এই ঘটনা শোনামাত্র তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সংসদে শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন সরব হন এবং পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন, হুগলীর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর অনুরোধ করেন। অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রম্নত্রীর সাথে কথা বলেন।সিদ্ধান্ত হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের টিম আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে হুগলির বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখবেন ও কেন্দ্রকে রিপোর্ট জমা দেবেন।

Wednesday, November 25, 2009

কলকাতা লিগে জয় মোহনবাগানের






আজ কলকাতা লিগে মোহনবাগান ও কালীঘাট মুখোমুখি হয়।ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হ্য় মোহনবাগান মাঠে।
ম্যাচের ফল ৪-০। মোহনবাগানের হয়ে বিদেশী স্ট্রািকার চিড্ডি ৩ টি গোল দিয়ে হ্যাটট্রিক করে ও অপর একটি গোল করে ইসফাক আহমেদ।ম্যাচে অবশ্য কালীঘাট কোনো গোল করতে পারেনি।

আজ এই খেলা দেখতে প্রচুর মানুষ মোহনবাগান মাঠে উপস্থিত হয়।

পানিহাটি কলেজে থমথমে পরিবেশ



উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পানিহাটি কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গতকাল এসএফআই ও টিএমসিপি-র সমর্থকদের মধ্যে যে সংঘর্ষ ও ব্যাপক বোমাবাজি হয়, তাঁর জেরে আজ সকাল থেকে কলেজ চত্বর সম্পূর্ণ থমথমে। কলেজে আজ ছাত্রদের উপস্থিতি খুব কম। তবু যে সমস্ত ছাত্র কলেজে আসছে তাঁদের সকলকে পরিচয়পত্র দেখিয়ে কলেজে প্রবেশ করতে হছে।
কালকের এই সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তা সামলাতে পুলিশ পাশের পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ঢুকেও সেল ফাটায়।ফলে হাসপাতাল চত্বরে এক অস্বত্বিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আজ এই কারণে সমগ্র জেলায় এই আক্রমনের প্রতিবাদে কালা দিবস ও ধিক্কার দিবস পালন করা হচ্ছে।আজ সকাল থেকে পানিহাটি কলেজের সামনে টিএমসিপি-র সমর্থকরা কালা দিবস পালন করছে।আজ টিএমসিপি-র কালা দিবস শান্তিপূর্ণ। http://vinnobasar.blogspot.com/2009/03/new-ad-to-be-continued.html

Tuesday, November 24, 2009

যুদ্ধবিমানে রাষ্ট্রপতি


এই প্রথম যুদ্ধবিমানে মহিলা রাষ্ট্রপতি। এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা দেবী সিং পাটিল। রাষ্ট্রপতি আজ বুধবার পুণের লোহেগাঁও এয়ারবেস থেকে বেলা ১০টা ৪৫ নাগাদ ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীর সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে আকাশে প্রায় ২২ মিনিট সওয়ার করেন।তারপর পুনরায় ফিরে আসেন পুণের লোহেগাঁও এয়ারবেসে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিমানে ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীর দুই কম্যান্ডার ও সার্জেন্ট। এই সুখোই-৩০ ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীর সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন যুদ্ধবিমান।

সুখোই-৩০ ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীর সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন যুদ্ধবিমানটি রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলকে নিয়ে ঘন্টায় ১০০০ কিলোমিটারের কিছু কম গতিবেগে ২২ মিনিট আকাশে ওড়ে বিমানটি। রাষ্ট্রপতি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে সহায়ক পোশাক পরে বিমানে সওয়ার করেন। এই বিমানে ওঠার পর আশপাশের সমগ্র কাজকর্ম লক্ষ্য করেন রাষ্ট্রপতি।

এই কৃতিত্বের অধিকারি হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,’ভারতীয় বায়ুসেনাবাহিনী খুবি বিচক্ষণ,সংঘবদ্ধ, ও বিমানচালকগণ যথেষ্ট অভিঞ্জতাসম্পন্ন এবং ভারতীয় বায়ুসেনাবাহিনীর সমগ্র ভারতবাসীকে সুরক্ষা প্রদান করার ক্ষমতা রয়েছে ।’

রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলের স্বামী দেবী সিংহ শেখাওয়াত এই প্রসঙ্গে বলেন,’দেশের মহিলাদের সন্মান বাড়ালেন প্রতিভা।’

পানিহাটি কলেজে ছাত্র সংঘর্ষ




উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পানিহাটি কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এসএফআই ও টিএমসিপি-র সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে ও ব্যাপক বোমাবাজি হয়।পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয় যা নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনায় ২ জন টিএমসিপি-র সমর্থক ও টিএমসি-র কয়েকজন নেতা আহত হয়। আহতদেরকে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে ।
জানা গেছে,এসএফআই সমর্থকদের সাথে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সিপিএম নেতা সন্মিলিতভাবে টিএমসিপি-র সমর্থকদের উপর আক্রমন চালায়।

আজ বিকেলে আহত টিএমসিপি-র সমর্থকদের হাসপাতালে দেখতে যান বিরোধী দলনেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী কাল সমগ্র জেলায় এই আক্রমনের প্রেক্ষিতে কালা দিবস ও ধিক্কার দিদস পালন করা হবে।

যৌথবাহিনী সরিয়ে নিতে হবেঃ নির্দেশ হাইকোর্টের




পশ্চিম মেদনীপুর জেলার লালগড়ের বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনীর জওয়ানরা থাকার ফলে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো ব্যহত হচ্ছে।বর্তমানে আবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা চলছে। ফলে পশ্চিম মেদনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনী থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা চরম অসুবিধার সন্মুখিন হয়েছে। এই কারণে, হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থের মামলায় শুনানির সময়ে গত শুক্রবার রাজ্য সরকারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলাই রায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দু দিনের মধ্যে জঙ্গলমহলের স্কুলগুলি থেকে যৌথবাহিনীর শিবির সরিয়ে নেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সে দিন নির্দেশ না-দিয়ে আজ, মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করেন। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, স্কুলে পুলিশ-আধা সেনার শিবির করে থাকা বেআইনি। অ্যাডভোকেট জেনারেলের প্রতিশ্রুতির পরেও সোমবার পর্যন্ত লালগড়ের স্কুলগুলি থেকে বাহিনী সরানো হয়নি।
লালগড়ের রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়, কাঁটাপাহাড়ির বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ, গোহমিডাঙা হাইস্কুল, নছিপুর হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ক্লাশঘর দখল করেই গত সাড়ে চার মাস ধরে চলছে বাহিনীর শিবির। গোয়ালতোড়ের পিংবনি হাইস্কুলেও রয়ে গিয়েছে বাহিনী। সর্বত্রই পঠন-পাঠন বন্ধ।অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিলও বন্ধ। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার জন্য কয়েকটি ঘর ছাড়া হয়েছে মাত্র। এই পরিস্থিতিতে স্কুল থেকে বাহিনী সরানো এবং পড়াশনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবীতে পশ্চিম মেদনীপুরের ভূমিজ কল্যাণ সমিতি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। মামলার পরে শুধুমাত্র শালবনি ব্লকের তিন-চারটি স্কুল থেকে বাহিনী সরতে শুরু করেছ্রে।স্কুল খালি করে দেওয়ার দাবীতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে মার খায় গোহমিডাঙা হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।
আজ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির দিভিশন বেঞ্চ এই জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে নির্দেশ দেন আগামী ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে পশ্চিম মেদনীপুরের সমস্ত স্কুল খালি করে দিতে হবে। দেখা যাক এই নির্দেশ কতদিনে কার্যকর করে প্রশাসন।

যৌথবাহিনী সরিয়ে নিতে হবেঃ নির্দেশ হাইকোর্টের




পশ্চিম মেদনীপুর জেলার লালগড়ের বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনীর জওয়ানরা থাকার ফলে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো ব্যহত হচ্ছে।বর্তমানে আবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা চলছে। ফলে পশ্চিম মেদনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনী থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা চরম অসুবিধার সন্মুখিন হয়েছে। এই কারণে, হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থের মামলায় শুনানির সময়ে গত শুক্রবার রাজ্য সরকারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলাই রায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দু দিনের মধ্যে জঙ্গলমহলের স্কুলগুলি থেকে যৌথবাহিনীর শিবির সরিয়ে নেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সে দিন নির্দেশ না-দিয়ে আজ, মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করেন। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, স্কুলে পুলিশ-আধা সেনার শিবির করে থাকা বেআইনি। অ্যাডভোকেট জেনারেলের প্রতিশ্রুতির পরেও সোমবার পর্যন্ত লালগড়ের স্কুলগুলি থেকে বাহিনী সরানো হয়নি।
লালগড়ের রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়, কাঁটাপাহাড়ির বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ, গোহমিডাঙা হাইস্কুল, নছিপুর হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ক্লাশঘর দখল করেই গত সাড়ে চার মাস ধরে চলছে বাহিনীর শিবির। গোয়ালতোড়ের পিংবনি হাইস্কুলেও রয়ে গিয়েছে বাহিনী। সর্বত্রই পঠন-পাঠন বন্ধ।অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিলও বন্ধ। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার জন্য কয়েকটি ঘর ছাড়া হয়েছে মাত্র। এই পরিস্থিতিতে স্কুল থেকে বাহিনী সরানো এবং পড়াশনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবীতে পশ্চিম মেদনীপুরের ভূমিজ কল্যাণ সমিতি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। মামলার পরে শুধুমাত্র শালবনি ব্লকের তিন-চারটি স্কুল থেকে বাহিনী সরতে শুরু করেছ্রে।স্কুল খালি করে দেওয়ার দাবীতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে মার খায় গোহমিডাঙা হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।
আজ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির দিভিশন বেঞ্চ এই জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে নির্দেশ দেন আগামী ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে পশ্চিম মেদনীপুরের সমস্ত স্কুল খালি করে দিতে হবে। দেখা যাক এই নির্দেশ কতদিনে কার্যকর করে প্রশাসন।

যৌথবাহিনী সরিয়ে নিতে হবেঃ নির্দেশ হাইকোর্টের




পশ্চিম মেদনীপুর জেলার লালগড়ের বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনীর জওয়ানরা থাকার ফলে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো ব্যহত হচ্ছে।বর্তমানে আবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা চলছে। ফলে পশ্চিম মেদনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনী থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা চরম অসুবিধার সন্মুখিন হয়েছে। এই কারণে, হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থের মামলায় শুনানির সময়ে গত শুক্রবার রাজ্য সরকারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলাই রায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দু দিনের মধ্যে জঙ্গলমহলের স্কুলগুলি থেকে যৌথবাহিনীর শিবির সরিয়ে নেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সে দিন নির্দেশ না-দিয়ে আজ, মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করেন। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, স্কুলে পুলিশ-আধা সেনার শিবির করে থাকা বেআইনি। অ্যাডভোকেট জেনারেলের প্রতিশ্রুতির পরেও সোমবার পর্যন্ত লালগড়ের স্কুলগুলি থেকে বাহিনী সরানো হয়নি।
লালগড়ের রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়, কাঁটাপাহাড়ির বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ, গোহমিডাঙা হাইস্কুল, নছিপুর হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ক্লাশঘর দখল করেই গত সাড়ে চার মাস ধরে চলছে বাহিনীর শিবির। গোয়ালতোড়ের পিংবনি হাইস্কুলেও রয়ে গিয়েছে বাহিনী। সর্বত্রই পঠন-পাঠন বন্ধ।অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিলও বন্ধ। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার জন্য কয়েকটি ঘর ছাড়া হয়েছে মাত্র। এই পরিস্থিতিতে স্কুল থেকে বাহিনী সরানো এবং পড়াশনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবীতে পশ্চিম মেদনীপুরের ভূমিজ কল্যাণ সমিতি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। মামলার পরে শুধুমাত্র শালবনি ব্লকের তিন-চারটি স্কুল থেকে বাহিনী সরতে শুরু করেছ্রে।স্কুল খালি করে দেওয়ার দাবীতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে মার খায় গোহমিডাঙা হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।
আজ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির দিভিশন বেঞ্চ এই জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে নির্দেশ দেন আগামী ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে পশ্চিম মেদনীপুরের সমস্ত স্কুল খালি করে দিতে হবে। দেখা যাক এই নির্দেশ কতদিনে কার্যকর করে প্রশাসন।

যৌথবাহিনী সরিয়ে নিতে হবেঃ নির্দেশ হাইকোর্টের




পশ্চিম মেদনীপুর জেলার লালগড়ের বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনীর জওয়ানরা থাকার ফলে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো ব্যহত হচ্ছে।বর্তমানে আবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা চলছে। ফলে পশ্চিম মেদনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে যৌথবাহিনী থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা চরম অসুবিধার সন্মুখিন হয়েছে। এই কারণে, হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থের মামলায় শুনানির সময়ে গত শুক্রবার রাজ্য সরকারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলাই রায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দু দিনের মধ্যে জঙ্গলমহলের স্কুলগুলি থেকে যৌথবাহিনীর শিবির সরিয়ে নেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সে দিন নির্দেশ না-দিয়ে আজ, মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করেন। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, স্কুলে পুলিশ-আধা সেনার শিবির করে থাকা বেআইনি। অ্যাডভোকেট জেনারেলের প্রতিশ্রুতির পরেও সোমবার পর্যন্ত লালগড়ের স্কুলগুলি থেকে বাহিনী সরানো হয়নি।
লালগড়ের রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়, কাঁটাপাহাড়ির বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ, গোহমিডাঙা হাইস্কুল, নছিপুর হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ক্লাশঘর দখল করেই গত সাড়ে চার মাস ধরে চলছে বাহিনীর শিবির। গোয়ালতোড়ের পিংবনি হাইস্কুলেও রয়ে গিয়েছে বাহিনী। সর্বত্রই পঠন-পাঠন বন্ধ।অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিলও বন্ধ। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার জন্য কয়েকটি ঘর ছাড়া হয়েছে মাত্র। এই পরিস্থিতিতে স্কুল থেকে বাহিনী সরানো এবং পড়াশনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবীতে পশ্চিম মেদনীপুরের ভূমিজ কল্যাণ সমিতি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। মামলার পরে শুধুমাত্র শালবনি ব্লকের তিন-চারটি স্কুল থেকে বাহিনী সরতে শুরু করেছ্রে।স্কুল খালি করে দেওয়ার দাবীতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে মার খায় গোহমিডাঙা হাইস্কুল এবং বিনপুর হাইস্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।
আজ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির দিভিশন বেঞ্চ এই জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে নির্দেশ দেন আগামী ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে পশ্চিম মেদনীপুরের সমস্ত স্কুল খালি করে দিতে হবে। দেখা যাক এই নির্দেশ কতদিনে কার্যকর করে প্রশাসন।

Monday, November 23, 2009

সংসদে লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট পেশ হল




আজ ২৪শে নভেম্বর, ২০০৯ মঙ্গলবার বেলা ১২টায় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ হল ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের তদন্তের রিপোর্ট । এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত লিবারহান কমিশন তাদের রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জমা দিয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পি চিদম্বরম এই রিপোর্ট সংসদে পেশ করেন।তবে সংসদে এই রিপোর্ট পড়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়।তবে গতকাল এই রিপোর্টের কিছু অংশ ভারতীয় একটি ইংরাজী দৈনিক সংবাদপত্রে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় শোরগোল পড়ে যায় সমগ্র রাজনৈতিক মহলে।
এই রিপোর্টে বলা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, এল কে আডবাণী, মুরলীমনোহর যোশী প্রমুখ নেতা গোটা ঘটনার কথা জানতেন এবং এই ধ্বংসের ঘটনায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও শিবসেনার হাত রয়েছে ।
এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতৃত্ব বলেছেন, এই রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই রিপোর্ট ফাঁস করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি ষড়যন্ত্র।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, ”রিপোর্ট ফাঁস হওয়ার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কোন যোগ নেই”।

লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট


১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের তদন্তের দায়িত্ব তৎকালীন নরসিংহ রাও সরকার লিবারহান কমিশনের হাতে তুলে দেন । আজ এই তদন্তের রিপোর্ট ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস নামক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়েছে,বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং এই ঘটনায় বিজেপির প্রথম সারির কিছু নেতা জড়িত রয়েছেন, তাঁরা হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, এল কে আডবাণী, মুরলীমনোহর যোশী প্রমুখ নেতা । গোটা ঘটনার কথা জানতেন বিজেপি নেতৃত্ব এবং এই ঘটনায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও শিবসেনার হাত রয়েছে ।
এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতৃত্ব বলেছেন, এই রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই রিপোর্ট ফাঁস করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি ষড়যন্ত্র। আজ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে আডবানী বলেছেন, লিবারহান কমিশনের তদন্তের রিপোর্ট আজই সংসদে পেশ করা হোক।
আজ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে লিবারহান কমিশনের রিপোর্টের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, “শীতকালীন অধিবেশনেই এই রিপোর্ট পেশ হবে” । এই ঘটনার প্রেক্ষিতে চিদম্বরম বলেন,”এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কোন যোগ নেই”।

লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট


১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের তদন্তের দায়িত্ব তৎকালীন নরসিংহ রাও সরকার লিবারহান কমিশনের হাতে তুলে দেন । আজ এই তদন্তের রিপোর্ট ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস নামক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়েছে,বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং এই ঘটনায় বিজেপির প্রথম সারির কিছু নেতা জড়িত রয়েছেন, তাঁরা হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, এল কে আডবাণী, মুরলীমনোহর যোশী প্রমুখ নেতা । গোটা ঘটনার কথা জানতেন বিজেপি নেতৃত্ব এবং এই ঘটনায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও শিবসেনার হাত রয়েছে ।
এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতৃত্ব বলেছেন, এই রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই রিপোর্ট ফাঁস করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি ষড়যন্ত্র। আজ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে আডবানী বলেছেন, লিবারহান কমিশনের তদন্তের রিপোর্ট আজই সংসদে পেশ করা হোক। আজ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে লিবারহান কমিশনের রিপোর্টের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, “শীতকালীন অধিবেশনেই এই রিপোর্ট পেশ হবে” । এই ঘটনার প্রেক্ষিতে চিদম্বরম বলেন,”এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কোন যোগ নেই”।