Wednesday, April 21, 2010
A new HD Social Media for Bengali Film lovers : Please join us
Tags: Bangla, Bengali, Cinema, film, media, social
Share Twitter Facebook
আমি উত্তেজিত, আমি অধীর আগ্রহে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অপেক্ষা করছি : অপর্না সেন
দেবাশিষ রায়ঃ আপনার পূর্ববর্তী চলচ্চিত্রগুলো থেকে সম্পূর্ন আলাদা দ্য জাপানিজ ওফাইফ।গল্পের মূল উপজীব্যকে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনাকে কী ধরণের সিনামাটিক পরিবর্তন করতে হয়েছে?অপর্না সেনঃ আসলে এই সিনেমায় মূল চ্যালেঞ্জ ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাপানি সময়টাকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা। সেটাই ভালোভাবে করার চেষ্টা করা হয়েছে।দেবাশিষ রায়ঃ আপনার মূখ্য চরিত্র স্নেহময় হিসেবে অত্যন্ত চমৎকার অভিনয় করেছেন রাহুল বোস। তার চরিত্র ছিল পরবাস্তব, সাররিয়াল। গল্পকারের তৈরী এই সাররিয়েলচরিত্র সিনেমার পর্দায় ফুটিয়ে তোলার সফলতার ব্যপারে আপনি কতটুকু নিঃসংশয় ছিলেন?অপর্না সেনঃ [সিনেমার ক্ষেত্রে] কেউ প্রতিদিনের বাস্তবতাকে খোঁজে না।তাছাড়া শুধু একটিচরিত্রটি নিজে নয়, বরঞ্চ সম্পূর্ন গল্পটিই পরবাস্তব। স্নেহময় চরিত্রটি আমাদের প্রতিনিয়ত চোখের সামনে থাকা সাধারণ একটি পৌনপুনিক চরিত্র যার জীবনটা ঝামেলাহীন, একঘেয়ে। তবে অন্যসবার থেকে সে আলাদা একটি কারণেই- সেএকজন জাপানী রমনীকে বিবাহ করেছে যার সাথে কোনোদিন সাক্ষাতের সুযোগ হয়নিতাঁর। গল্পটি আনন্দোচ্ছল আবার অযৌক্তিক, কিম্ভুতকিমাকার আর এই কারণেই আমিগল্পটিকে চলচ্চিত্রে রূপদান করতে আগ্রহী হয়েছিলাম।দেবাশিষ রায়ঃ উদ্ভট এক পরিস্থিতি, তাই না?অপর্না সেনঃ আসলে মধ্যবিত্তদের প্রতিদিনের জীবনকে চলচ্চিত্রে রূপ দিতে দিতে আমি মোটামুটি বিরক্ত- এবং ক্লান্ত।দেবাশিষ রায়ঃ অভিনেতা অভিনেত্রীদের প্রসংগে আসি। আমার মনে মৌসুমী চ্যাটার্জি দারুনভাবে ফিরে আসলেন এই সিনেমার মাধ্যমে। উনি কী আপনার প্রথম পছন্দ ছিলেন?অপর্না সেনঃ সত্যি বলতে আমি অন্য কয়েকজনের সাথে কথা বলেছিলাম চরিত্রটিরব্যপারে। তবেমৌসুমী যখন আমার কাছে আসলো, আমি সবার কথা ভুলে গেলাম। খুব সম্ভব আমারসম্ন্বয়কারী সোহাগ সেন আমাকে বলেছিলেন, চরিত্রটিতে আমি মৌসুমীর কথা ভেবেছিকিনা। ওর নামটা শোনামাত্রই আমার মনে হলো, আমি যাকে খুঁজছিলাম তাঁকেপেয়েছি। এই চরিত্রের জন্য ওই সবচেয়ে উপযোগী।দেবাশিষ রায়ঃ চিঙ্গুসা তাকাকুকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কিছু বলুন।অপর্না সেনঃ আচ্ছা। প্রথমত সে ইংরেজিতে ভালো অনভিজ্ঞ। তাই তার সাথে আমার কথা বলতেহয়েছে দোভাষীর মাধ্যমে। তবে একটা জিনিস নিশ্চিত, অভিনেত্রী হিসেবে সে খুবই সেনসিটিভ। আমার মনে পড়ে দোভাষীর মাধ্যমে আমি তাকে একটা পরিস্থিতিতে বলেছিলাম সম্পূর্ণ ব্যাপারটি অনুভব করতে। সে জাপানীতেই বললো, hi hi. যারঅর্থ হ্যাঁ হ্যাঁ। তারপর থেকেই তার ভাবভঙ্গি বদলে গেলো। সে আসলেই খুব সেনসেটিভ একজন অভিনেত্রী।দেবাশিষ রায়ঃ আপনার সিনেমাটি ডেটাবাজার মিডিয়া ভেঞ্চারেরমাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য খুবই দারুন একটিব্যপার।এ নিয়ে আপনার ভাবনা কী আমাদের বলবেন?অপর্না সেনঃ হুম, বাংলা, ভাষাভাষির দিক থেকে পৃথিবীতে ষষ্ঠ। ভারত এবংবাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর আনাচে কানাচে বাঙালিরা ছড়িয়ে আছে। আর আপনার চিন্তাভাবনা তাদের সাথেশেয়ার করতে চাইলে আপনি সেটাকে সবার হাতের মুঠোয় পৌঁছাতে চাইবেনই। তাছাড়াআমার আরও ভালো লাগছে বাঙালিরা ছাড়াও এখন সিনেমাটি সারাদুনিয়ার অসংখ্যমানুষের কাছে পৌঁছাবে। এই কথাভেবেই সিনেমাটিতে পুরো সময় জুড়ে সাবটাইটেল সংযুক্ত করা হয়েছে।
দেবাশিষ রায়ঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বসবাসকারী ভারতীয়তাঅতিশীঘ্রই "জাপানিজ ওয়াইফ" দেখতে পাবেন। এই যে সমগ্র বিশ্বজুড়ে দর্শক তৈরী হবার ব্যাপারটি, এটিকী আপনাকে আকর্ষণ করছে? আপনি কী উত্তেজিত?অপর্না সেনঃ অবশ্যই, আমি উত্তেজিত। আমি অধীর আগ্রহে তাদের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি খুবই খুবই আগ্রহে অপেক্ষা করছি।দেবাশিষ রায়ঃ আমি নিশ্চিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আপনার ভক্তরা খুবই আনন্দিত হবে যেহেতু ভারতের একেবারে সাথে সাথেই সেখানে সিনেমাটী প্রদর্শিত হচ্ছে? তাই না?অপর্না সেনঃ হুম। ইতিমধ্যে মানুষজন আমারকাছে বিভিন্ন জিনিস জানতে চাইচ্ছে। শুধু ভারতেনা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও। মানুষের কৌতুহলী প্রশ্ন আমি পাচ্ছিফেসবুকেও।দেবাশিষ রায়ঃ আচ্ছা এবার বলুন, এই ধরণের আন্তর্জাতিক মানের গল্পকে সিনেমায় রূপ দিতে আপনাকে সবচেয়ে বড় কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে?অপর্না সেনঃ আমি যখন গল্পটা প্রথম শুনি আমার কাছে এটাকে মনে হয়েছিল, উদ্ভট এবং খানিকটা অযৌক্তিক। তবে গল্পটা আমার মনে এক ধরণের ভালোলাগার সৃষ্টি করেছিল। কোনো সন্দেহ নেই, গল্পটা খুবই উচ্ছ্বল। আজকের এই দিনে যখন মানবিক সম্পর্ক বেশঠুনকো এবং ভঙ্গুর, আমার মাথায় আইডিয়া হলো এমন একটা গল্প সিনেমা তৈরীর জন্য খুবই উপযোগী। আর গল্পের আবহ মাথায় রেখেই আমি কোনো ধরণের অত্যাধুনিক যন্ত্রব্যবহার করেনি যা সিনেমাটিকে কৃত্রিম করে ফেলতে পারে। আমি একদম ক্ল্যাসিকাল ভাবে একটি চমৎকার গল্পকে সিনেমায় রূপ দিতে চেয়েছি।
দেবাশিষ রায়ঃ চলচ্চিত্রে প্রফেসর কুনাল বসুর জড়িত থাকা নিয়ে বলুন। তিনি তো পুরোটা জুড়ে দারুনভাবে লেগে ছিলেন।অপর্না সেনঃ সে সিনেমাটির সাথে প্রথম থেকেই যুক্ত ছিল। সে আমার আর আমার স্বামীরপরিচিত। আক্ষরিকভাবেই আমরা তিনজন টানা সিনেমা নিয়ে কাজ করেছিলাম।কুনালেরস্ত্রী সুস্মিতাও আমাদের সাথে ছিল। যখন চিত্রনাট্য লেখা হচ্ছিল তখনআমি কুনাল এবং আমার স্বামী কল্যানকে ইমেইল করে দিতাম। আমরা চারজনইচিত্রনাট্য লেখার সময় দারুন ভাবে একত্রিত ছিলাম, তবে কুনাল আর আমি ছিলামআরেকটু বেশি। ইমেইলের পাশাপাশি ওর সাথে আমার এস এম এস এ কথা হতো ফলেচিত্রনাট্য লেখার সময় আমি ওর অনেক ইনপুট পেয়েছি।দেবাশিষ রায়ঃ আমাদের পাঠকদের বলছি। প্রফেসর কল্যান রায় নিউজার্সিতে থাকেন। আচ্ছা,অন্তহীন সিনেমাটিতে তো তিনি আপনার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। নিজেরস্বামীর সাথে স্ত্রী হিসেবে অভিনয় করাটা নিশ্চয়ই দারুন উত্তেজনার ব্যপারছিল?অপর্না সেনঃ হুম। যদিও আমরা এখন আলাদা হয়ে গেছি তারপরও এখনও আমরা একে অন্যকে সময় দেই। সিনামাতেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।
Tags: Bangla, Databazaar, INDIAN, Move, NRB, NRI, USA, cinama, dwando
Share Twitter Facebook
Why Aparna Sen is so excited about The Japanease Wife
Devasish Ray: The Indian diasporas living in the United States and Canada would be able to see “The Japanese Wife” very soon. Does this notion of a global audience besides the film attract you? Does it excite you?Aparna Sen: Of course it does excite me. I am just waiting to see how they respond to this. I’m really waiting……………………….. very excited.Devasish Ray: I am sure that your fans will appreciate since the film is going to be shown simultaneously in the United States. The same is going to take place in India too. Am I correct?Aparna Sen: Yes. I am taking in a lot of questions from people, not only in India but from America and UK also. I am getting lots of questions in Facebook too.Devasish Ray: What would be the great challenges in giving this international story a cinematographic form?Aparna Sen: When I heard the story for the very first time, I found it bizarre and absurd. But the same impact did constitute a charm. There is no doubt that the purity of the concept is charming. In this day and age, when relationships are so fickle and do not last, I felt for an idea, which is so bizarre, the ideal cinematographic vehicle would be a classical form. That’s why, I never sought any stylistic devices or which would make it deliberately stylized. I wanted to use a pure classical form which would convey the absurd idea.Devasish Ray: What’s about Prof. Kunal Basu’s involvement in the film? He is involved in a superb way!Aparna Sen: He was involved right from the beginning because he is a very good friend of ours. He was in touch with me and my husband. Literally, three of us worked constantly and there was also Susmita, Kunal’s wife, because he would read out all the events. All four of us were readily involved. Again, as I was writing, I was emailing the same to him and my husband Kalyan constantly. All four of us were quite involved in the progress of the screenplay but both Kunal and I worked in addition too. We were also sending each other text messages along with emailing. So there were lots of inputs from him.Devasish Ray: For our viewers we need to inform that Prof. Kalyan Ray is placed in New Jersey. Well, he was in the film “Antaheen” with you and he, there, played the role of your husband. Isn’t the experience of acting with own husband exciting?Aparna Sen: Well, we are separated but we d care for each other and that was in the play in the film.Devasish Ray: How was his acting in the film?Aparna Sen: I was simply surprised to find out that Kalyan has great screen presence. Apart from my daughter Konkona, I do love to see Kalyan’s screen presence.Devasish Ray: Let’s talk a bit of your upcoming film “Iti Mrinalini”. Aparna Sen: Surely. The post-production of the film is almost finished and we, at the moment, are working with the sound part of the film. This does include background effects, synchronize effects and several others. Devasish Ray: It’s a pleasure to watch both mother and acting in the same film. It has been learnt that you are also working in the film along with your daughter Konkona……….Aparna Sen: Definitely. Even though we are in the same film and playing the same character, there is a difference. We are, in essence, representing different ages.
Tags:
Share Twitter Facebook
Bengali film “Jadi Ekdin”, directed by young and vigorous Bengali director Ringo Banerjee, is goi…
Tags: Jadi, bangla, databazaar, din, downlode, ek, free, move
Share Twitter Facebook
ITunes এ প্রথম বাংলা সিনেমা : দ্বন্দ ইতিহাস তৈরী করল
Tags: Bangla, ananna, chatterjee, cinama, databazaar, dwando, koushik, move, soumitra
Share Twitter Facebook
Bangla Film "Dwando" is finally available for download on iTunes
http://itunes.apple.com/WebObjects/MZStore.woa/wa/vi...ewMovie?id=362284082&s=143441
Databazaar Media Ventures
Databazaar Media Ventures acts as an exclusive gateway for Bengali films to North America, combining the latest in digital technologies with the best in traditionalmethods in a new, fusion distribution model that maximizes North American filmrevenues. We are the missing link that ensures the most effective marketing ofmodern Bengali films. Once selected ( Databazaar) by DMV’s Film Review Board, exclusivepartner agreements ensure that titles acquired will reach over 19,000 onlineand retail stores across the US and Canada including major chains such as BestBuy, Target, Fry's Electronics, Blockbuster, Netflix, Amazon and Wal-Mart,along with, theatrical releases in certain demographics. For more informationplease visit www.databazaarmedia.com.
Tags: Ananna, Bangla, Databazaar, Dwando, Free, chatterjee, move, politicoindia, sowmitra, vnn
Share Twitter Facebook
Aparna Sen spoke to Politico-India on her latest release "The Japanease Wife"
Get this widget
Track details
eSnips Social DNA
Tags:
Share Twitter Facebook
সম্প্রতি মুক্ত পেতে চলেছে তরুণ পরিচালক রিঙ্গো ব্যানার্জীর নতুন সিনেমা ‘যদি একদিন’। ডেটাবাজার …
সম্প্রতি মুক্ত পেতে চলেছে তরুণ পরিচালক রিঙ্গো ব্যানার্জীর নতুন সিনেমা ‘যদি একদিন’। ডেটাবাজার ডটকমের সৌজন্যে বিশ্ব জয় করতে চলেছে রিঙ্গোর এই নতুন ছবি । ডেটাবাজার মিডিয়াভেঞ্চার এর ব্যবস্থাপনায় (A media arm of US printer retailer Databazaar) উত্তর অ্যামেরিকায় নেটফ্লিক্স, ব্লকবাস্টার এবং অ্যামাজনে একসাথে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। রিলিসের প্রাক মূহূর্তে ভিন্নমতের সাংবাদিক স্বরূপ বোসের মুখোমুখি যদি একদিন সিনেমার পরিচালক রিঙ্গো ব্যানার্জী।
স্বরুপঃ “যদি একদিন” ছবির গল্পটা কীভাবে আপনার মাথায় এলো?
রিঙ্গোঃ বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করার জন্য ভীষণ ব্যস্ত জীবন যাপন করে। ফলে আমাদের সম্পর্ক গুলোকে আমরা সময় দিয়ে উঠতে পারি না। যার জন্য আমাদের সম্পর্ক গুলো একটা শেষের দিকে এগিয়ে যায়। একটা ছেলে বা মেয়ের মধ্যে একটা ইগো থাকে যার ফলে সম্পর্কটা ভালো থাকতে থাকতে হঠাৎ সম্পর্কটাকে শেষ পর্যায়ে নিয়ে যায়। সেই জায়গা থেকে এই সমস্যাটাকে দেখে, শিখে বা পরিস্থিতিটাকে অনুভব করে এই সমস্যাটাকে সমাধান করার একটা চেষ্টা করা। সম্পর্ক পুনরায় আগের মত সুন্দর করে সাজিয়ে তৈরী করার একটা অনুপ্রেরণা হতে পারে এই ছবিটা।
স্বরুপঃ জীবন একটা ম্যাজিক বলতে আপনি কী বলতে চেয়েছেন?
রিঙ্গোঃ আমি বলতে চাই মানুষের জীবন জিনিসটাই একটা ম্যাজিক। ম্যাজিশিয়ানদের তিনটে ধাপ আছে। ম্যাজিশিয়ান যেমন প্রমিস করে যে একটা সাধারণ জিনিসকে অসাধারণ করে তোলে। এটা তার প্রমিস। দ্বিতীয় ধাপ হল টার্ন। মানুষকে জীবনে অনেক আঁকাবাঁকা পথ অতিক্রম করে এগোতে হয়। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে টার্ন নিতে হয়। আমরা জীবনে অনেক ছোট ছোট প্রমিস করে থাকি। ম্যাজিশিয়ান যেমন একটা পয়সা নিয়ে ভ্যানিশ করে দেয়। দর্শকরা অপেক্ষা করে কখন তিনি সেই পয়সাটাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। সেটা দেখে দর্শকরা হাততালি দেয়। বলে বা কি দারুণ। এটা হল তৃতীয় ধাপ প্রেস্টিজ। দর্শকরা হাততালি দিল আর বললো বা কী দারুণ এটা ম্যাজিশিয়ানদের কাছে তার কাজের জন্য প্রাপ্য সন্মান। মানুষের জীবন আর ম্যাজিকের মধ্যে একটা সুন্দর মিল আছে। জীবন ছাড়া ম্যাজিক হয় না বা ম্যাজিক ছাড়া জীবন হয় না। মানুষ তার জীবন, তার ফ্যামিলির বিভিন্ন সমস্যা গুলকে খুঁজে বের করে সমাধানের চেষ্টা করে এটা হল প্রমিস। সেই সমস্যাটাকে আগের মত সুন্দর করে সাজিয়ে তোলাটা হল টার্ন। সবকিছু যখন আবার ঠিক হয় সেটা প্রেস্টিজ।
স্বরুপঃ আপনার ছবির ট্রেলার দেখে বোঝা গেল এটা আর্বান থিম। তাই জানতে চাই আপনার ছবির দর্শক কারা-কলকাতায়, গ্রামবাংলায় না পশ্চিমবঙ্গের বাইরে?
রিঙ্গোঃ প্রত্যেক ছবিরই একটা ভাষা আছে। আমি বুঝি না আর্বান, মেট্রো বা মফঃস্বল বলে আমি কিছু বুঝিনা, এর মানেটা কী? আমি কল্যাণীতে বড় হয়েছি।আমার ছোটবেলা কল্যাণীতে কেটেছে। এখনআমি শহরে থাকি। তা বলে এই নয় যে আমার শেকড় বাকড় সব আমার কাছে অচেনা হয়ে গেছে। আমার পিসির বাড়ী সোদপুর খড়দার একটা রিমোট যায়গাতে। আমি এখনো যাই কল্যাণীতে। সেখানে গিয়ে আমার মিল খুঁজে পাই। মানুষের দেশ বা আবেশ বদলে গেলে মানুষ বদলে যায় বলে আমি মনে করি না। আমিমনে করি আমি যে ভাষায় কথা বলি সেই ভাষাটা এক বা আমি যেখানে দাঁড়িয়ে কথা বলি সেই জায়গাটা এক।
আমি মনে করি কোন দর্শক কোন ধরনের ছবি পছন্দ করে। যারা একটু মারা মারির ছবি বা যারা দক্ষিণ ভারতীয় ছবি পছন্দ করে তারা কী ছবিটা পছন্দ করবে? কারণ আমরা অভ্যাসের দাস। আমরা যেটা দেখে দেখে অভ্যস্ত সেটা দেখতেই বেশী পছন্দ করি। ফলে সেটা দেখেই অভ্যস্ত হয়ে যাই। ফলে নতূন ছবি দেখার জন্য আমরা আমাদের গণ্ডি টা পেরোতে পারবো না এটা ভাবা ভূল। সুতরাং বাংলা ছবি শুধু কলকাতাতেই চলবে এটা ঠিক নয়। তাজমহল আমরাও দেখি আবার বিদেশীরাও দেখেন। তাজমহটা ভালো বলেই সবারই ভাল লাগে। রবীন্দ্র সঙ্গীত আমরাও শুনি আবার বিদেশেও শোনে। এ আর রহমানের মিউজিক সবাই শোনে। যারা বাংলা ভাষা বোঝেন বা যারা বাংলা সিনেমাকে ভালবাসেন তারা অবশ্যই ছবিটা দেখবেন বলে আমি আশা রাখি।
স্বরুপঃ আপনার এই বাংলা ছবি কী বাংলা ছাড়া বাংলার বাইরে পা রাখছে?
রিঙ্গোঃ হ্যাঁ বাংলা ছবি ডেটাবাজার মিডিয়া ভেঞ্চারের মাধ্যমে বাংলার বাইরে উত্তর আমেরিকাতেও রিলিজ করছে। এটা বাংলা ছবির ক্ষেত্রে একটা বড় পদক্ষেপ বলে আমি মনে করি।
Tags:
Share Twitter Facebook
আমার ব্যক্তিগত কিছু সম্পর্কের চিত্রনাট্য যদি একদিন
Tags:
Share Twitter Facebook
Ringo interviewed by VNNBangla on his latest release Jadi Ekdin
Tags: Banerjee, Jadi, databazaar, din, ek, ringo, vnnbangla
Share Twitter Facebook
Databazaar Media Ventures Acquires Aparna Sen's "The Japanese Wife" for US Distribution
The Japanese Wife - A brief synopsisThis is a haunting but improbable love story involving three shy people: Snehamoy Chatterjee, an Arithmetic teacher in a school in the interiors of riverine West Bengal; Miyage the Japanese girl who became his wife through a strange sequence of letters, and Sandhya, a widow forced by circumstances to take refuge in his home. It had all begun when Snehamoy was a student in Serampore College, living in a hostel and preparing for his BSc examination. Too shy to make friends with his rowdy classmates, he had sent off a letter to a name found in a magazine under ‘pen friends’. The answer had arrived a month later resulting in an abiding friendship between two people who did not know each other’s tongues and were forced to communicate with the aid of dictionaries in a foreign language – English – often with hilarious results.It would probably have continued in this vein if it hadn’t been for Snehamoy’s aunt’s God-daughter Sandhya. Sandhya is brought to their house because Mashi, the widowed aunt who had brought Snehamoy up, is trying to find a prospective bride for her nephew. When Snehamoy writes to Miyage about her as he does about every important and unimportant event, a letter arrives that changes the course of his life.In the letter Miyage has offered herself to him as his bride. If he agrees, they will be married. After weighing the matter over for a month, Snehamoy finally agrees to Miyage’s proposal. Tokens are exchanged between the two, making them man and wife – at least in their own eyes. She sends him a silver wedding ring with her name engraved on it. He sends her a pair of conch-shell bangles and a packet of vermillion powder – the traditional signs of marriage among Bengali women.His aunt, outraged at first, comes in time to accept her absentee niece in-law in the same way that the neighbours’ taunts and jibes give way to an acceptance of the Arithmetic teacher’s Japanese wife. She sends him photographs, gifts…once even a huge box of traditional Japanese kites. He sends her rain-drenched champak blossoms carefully wrapped in plastic with the hope that they will retain their fragrance until they reach her.In time, the urge of a lonely letter writer gives way to the fullness of a lasting bond. Yet, even after fifteen years of marriage, the two have not met! It is always a question of not having enough money or Miyage’s sick mother or Snehamoy’s Mashi’s health. But their physical absence in each other’s lives never comes in the way of their sense of belonging as a couple. Snehamoy feels every inch a married man and Miyage takes her responsibility as a wife very seriously, admonishing her husband for not wearing socks in cold weather or tying an Ema at a shrine to pray for him when he is ill.But, soon after the arrival of the kites on their fifteenth wedding anniversary, there is another arrival in Snehamoy’s home, subtly changing the course of his life a second time. Sandhya comes back as a widow with an eight year-old son in tow, and no one to turn to after her mother’s death except Snehamoy’s Mashi – her God-mother. Even though Sandhya never crosses his path, she takes up the reins of the household in her own unobtrusive way. Snehamoy’s room which had always been a mess of papers, unmade bed, discarded clothes and over-spilling ashtrays, is now tidy and fresh-smelling when he returns from school with his clothes folded neatly on the clotheshorse.With Sandhya Snehamoy discovers a bond of domesticity as they gradually start sharing household chores. With her son Paltu he discovers the joys of fatherhood. Paltu becomes his pet and together they organize a fantastic kite fight in their village between the Japanese kites sent by Miyage and their locally made rivals. Yet Snehamoy remains Miyage’s devoted husband at heart. When Miyage falls sick and has to leave her home to live with her brother, Snehamoy is frantic with worry. He would have flown to Japan had he the money to do so. As it is, he takes six months’ leave (without pay!) from his school and spends agonizing days consulting a range of doctors with his wife’s symptoms. His proximity with Sandhya grows as well, as he becomes aware of her tragedy – living the lonely life of a widow. The shy school teacher is caught between the pull of his marriage – a long standing intimacy devoid of domesticity -- and another undefined relationship that offers a comforting domesticity without any possibility of intimacy – thus becoming an unwitting partner to two solitary women. As days pass by and Miyage’s health worsens, it becomes clear that Snehamoy will need to visit an oncologist in Calcutta to get a proper assessment of his wife’s condition. A storm strikes as he makes his way over to the city and he returns disheartened and severely drenched. He tries to call Miyage on a local phone but a poor connection comes in the way of a proper conversation. He falls sick with pneumonia and the flooding makes it impossible for him to receive proper treatment. The fever rages while their village remains marooned in the grip of a tormented Bay of Bengal. The local homeopath prescribes sweet white pills that neither bring down the temperature nor ease the labored breathing. Sandhya sits by his bedside pressing cold compresses on his forehead and massaging hot oil into his chest while his aunt prays fervently at the family shrine and the boy flits nervously in and out of the room. The postman had come knocking once the ferry service was able to bring in the mail, but Miyage’s letter, which the boy had pressed into the patient’s hand, remains unopened. Snehamoy’s fevered brain imagines his wife’s letter: I am right there beside you Snehamoy…can you not feel my hand on your forehead…? Far from his wife and desperately worried over her health, Snehamoy’s life hangs by the thread as he is tended by Sandhya, just as any beloved husband would be by a loving wife. Will the widow find her solace with Snehamoy? Or, just as in their letters, will life finally unite Snehamoy and Miyage as husband and wife?
Media Contact: Devasish Raydray@databazaarmedia.com
Tags: Databazaar, Wife, aparna, japanise, sen, the, vnnbangla
Share Twitter Facebook
North-American Bengalis are overwhelmed by cinematic image of New Release "Dwando"
Tags: DETABAZAAR, DWONDO, INDIA, MOVE, NRB, NRI
Share Twitter Facebook
কেমন লাগল দ্বন্দ্ব ? প্রবাসীদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন সম্পাদক বিপ্লব পাল
Tags: Bangla, Databazaar, INDIAN, Move, NRB, NRI, USA, cinama, dwando
Share Twitter Facebook
How did you like new release" Dwando" ? Two NRBs discussing Dwando in their adda...
Supratim and Soutik on Databazaar's release of Dwando in North America"Dwando is now available to watch for free. Just register with Netflix-it's free to register for first month. You can have Dwando Netflix link here: http://www.netflix.com/Movie/Dwando/7...
Tags:
Share Twitter Facebook
National award winning director Suman Ghosh appealing to North American Bengali community
National award winning director of Padakkhep and Dwando, Prof Suman Ghoshappealed to the North American Bengali Community urging them tobe proactive in renting, buying and spreading the news of new Bengali release " Dwando" in Netflix. Netflix has now latest release [16th March] Dwando.You can put that in movie list. If you are not registered with Netflix, please do so-it is free for the first month.
http://www.databazaarmedia.com/
Listen to his appeal in VNN Radio:
Get this widget
Track details
eSnips Social DNA
Tags: Bip, Biplab, Databazaar, Dwando, ghosh, pal, sumon
Share Twitter Facebook
ভাল বাংলা সিনেমা তৈরী করা জন্যে প্রবাসী বাঙালীদের কাছে আবেদন জানালেন জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত পরিচালক সুমন ঘোষ
Get this widget
Track details
eSnips Social DNA
Tags: Bip, Biplab, Databazaar, Dwando, ghosh, pal, sumon
Share Twitter Facebook
sign on to Netlfix and order Dwando in your movie list : Databazaar
Tags: ANANNA, BANGLA, CHATTERJEE, DATABAZAAR, DWANDO, SOUMITRA, VNN
Share Twitter Facebook
দ্বন্দ্ব ইতিহাস তৈরি করতে চলেছে এবং আমি খুব গর্বিত যে আমি সেই ইতিহাসের অংশ হতে চলেছি - অনন্যা চ্যাটার্জী
পারমিতা: আমরা এখন কথা বলছি বাংলা সিনেমার সব থেকে আলোচিত নায়িকা অনন্যা চ্যাটার্জির সাথে। আগামী ১৬ই মার্চ তার ছবি'দ্বন্দ্ব' ডেটাবাজার ডট কমের সংস্থা ডেটাবাজার মিডিয়া ভেঞ্চার এর সৌজন্যে উত্তর অ্যামেরিকায় নেটফ্লিক্স, ব্লকবাস্টার এবং অ্যামাজনে একসাথে মুক্তি পাবে। আমাদের সাথে এই মুহূর্তে রয়েছেন অনন্যা চ্যাটার্জী।অনন্যা, বিকল্প ধারার এই ছবি 'দ্বন্দ্ব'।এখানে তুমি যে চরিত্রে অভিনয় করেছ সেটার সম্পূর্ণ সুযোগ কি তুমি নিতেপেরেছ? নাকি আরেক বার শুটিং করার সুযোগ দিলে আমরা অন্য অনন্যাকে দেখতে পাব?অনন্যা: আমার মনে হয় যেকোন অভিনেতা বা অভিনেত্রী তার নিজের প্রথম কাজ যখন পরে দেখে তখন মনে হয় যে,আরেকবার সুযোগ পেলে বোধহয় আরও ভাল হতো। সেটা হয়ত এক ধরণের ইন্ট্রোসপেকশন থেকে আসে বা অনেকদিন পর হয়ত নিজের পুরনো হয়েআসা কাজটা আর ভাল লাগেনা দেখতে- আমি ঠিক জানি না। এটা সব সময়ই হয়। কিন্তু'দ্বন্দ্ব'-তে যাই হয়েছেসেটা আমাদের সবার একটা ইউনাইটেড চেষ্টা। আমরা দ্বন্দ্ব-কে অন্য কোনরকম করেফেলতে চাই নি, এটা এখন যেমন আছে আমাদের আকাঙ্ক্ষাটাও তেমনই ছিল। যেভাবে অভিনয় করেছি তাতে আমরা সবাই খুশি। পরে যদি কখনও আবার দ্বন্দ্ব-র শুটিং হয়তখন অন্যরকম ভাবে চিন্তা করতেও পারি।পারমিতা: সুমন ঘোষ যখন সিনেমারএই ক্যারেক্টারটা নিয়ে তোমাকে প্রথম এপ্রোচ করল তখন তোমার কি মনে হয়েছিল।শুটিং এর সাথে সাথে কি এই চরিত্রটি তোমার কাছে বিবর্তিত হয়েছে বলে মনে হয়?অনন্যা: বিবর্তনের আগে তোআবর্তন! প্রথমে আবর্তিত হয়েছি। আর কাজ করতে করতে বিবর্তিত তো হয়ই। কিন্তু নিজের চরিত্রের জন্য একটা প্রাথমিক মানসিক সেটআপ বা আমি বলব পুরো ছবিটাই যদি আগে থেকে ভিজ্যুয়ালাইজ করা না যায় তাহলে বোধহয় খুব অসুবিধা হয়। শুটিংকরতে করতে যদি আমি চরিত্রের মধ্যে ঢুকি তাহলে দেখাযাবে কোন ফাঁকে অর্ধেকশুটিং হয়ে গেছে। সেভাবে আসলে হয় না।পারমিতা: সুদীপ্তার চরিত্রেরমধ্যে তুমি নিজের কোন প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছে? নাকি সুদীপ্তা তোমার কাছে কাল্পনিক? না ডিরেক্টরের সুদীপ্তা করতেই বেশি মনোযোগী হয়েছ?অনন্যা: আমরা কিন্তু সব ছবিতেই প্রথমে লিখি 'সব চরিত্র কাল্পনিক'। সো, বোঝাই যাচ্ছে!পারমিতা: আচ্ছা ত্রিকোণ প্রেমে নারীর মানসিক অবস্থান বা টানাপোড়েন গুলো নিয়ে নিজের কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা কি তুমি সুদীপ্তার চরিত্রে এনেছ?অনন্যা: (বিরতি) বাস্তবঅভিজ্ঞতা! না, আসলে অ্যাক্টিং টা একেক জন অভিনেতা একেক রকম ভাবে করেন। কেউকেউ কোন কষ্টের দৃশ্য করতে গিয়ে নিজের দুঃখের কথাভাবেন, আবার কেউ সেচরিত্রের দুঃখের কথা ভাবেন। সেটা একেক জনের অ্যাক্টিংমেথড, সেটা আলাদাকথা। তার মানে এই নয় যে, সে কাজটা তাকে নিজ অভিজ্ঞতা থেকে করতে হবে। আমি সেটা মনে করি না। সুদীপ্তায় সুদীপ্তা অনন্যা।পারমিতা: দ্বন্দ্ব-র যে টিমটার সাথে তুমি কাজ করেছ, সে নিয়ে তোমার অভিজ্ঞতাটা কি আমাদের সাথে একটু শেয়ার করবে?অনন্যা: খুব ইন্টারেস্টিং।পুরোটা দিন লেগে যাবে বলতে। আমি সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে বরুণ মুখার্জিকে পেয়েছি, আর্ট ডিরেক্টরের কথাও বলতে হয়। আমার মনে হয়, সুমন মায়ামি থেকে একঝোঁকা ফ্রেশ এয়ার নিয়ে এসেছিল, সুমনকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা চমৎকার টিম ছিলাম একটা। কখনও মনে হয়নি যে এত সিরিয়াস কিছু করতে চলেছি। খুব মজা পেয়েছি এইটিমের সাথে কাজ করে।পারমিতা: সুমন নতুন ধারার সিনেমা বানাচ্ছে। তোমার কি মনে হয় এর মাধ্যমে সুমন বাংলা সিনেমাকে আন্তর্জাতিক একটি লেভেলে পৌঁছে দিতে পারে?অনন্যা: আন্তর্জাতিক মানের বাংলা সিনেমা অনেক আগেই হয়েছে। সত্যজিৎ রায়,ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন, অপর্ণা সেন ওনারা আন্তর্জাতিক মানের সিনেমাই করেছেন। আমার মনে হয় তুমি আন্তর্জাতিক লেভেল আর আন্তর্জাতিক মার্কেট টা কনফিউজ করে ফেলেছ। আন্তর্জাতিক লেভেল এরছবি আগেও হয়েছে। কিন্তু হ্যাঁ, সুমনের কারণে এখন আন্তর্জাতিক মার্কেটেও পৌঁছানো যাচ্ছে, ডেটাবাজার মিডিয়াভেঞ্চার এর মাধ্যমে। সেদিক থেকে দ্বন্দ্ব ইতিহাস তৈরি করতে চলেছে এবং আমি খুব গর্বিত যে আমি সেই ইতিহাসের অংশ হতেচলেছি।
Tags: Detabazaar, ananna, chatterjee, dwandwo
Share Twitter Facebook
ভি. এন. এন. বাংলার মুখোমুখি দ্বন্দ্বের নায়িকা অনন্যা চ্যাটার্জী
Tags: ananna, chatterjee, databazaar, dwando, vnn
Share Twitter Facebook
হলিউডের বাঙালী অভিনেতা সম্রাট চক্রবর্ত্তী বাংলা সিনেমা নিয়ে কি ভাবছেন?
সম্রাট চক্রবর্ত্তী- নামটি খুব বাঙালি শোনালেও তিনি আসলে একজন হলিউড অভিনেতা। তিনি অ্যামেরিকান রিপা র্টরি থিয়েটার এবং মস্কো আর্ট থিয়েটার স্কুল থেকে অভিনয়ে স্নাতক হয়েছেন। অভিনয় করেছেন 'ল অ্যান্ড অর্ডার', 'সপরানো' এবং এমন আরও অনেক বিখ্যাত মার্কিন টিভি প্রোডাকশনে। এছাড়া তিনি 'দ্য বং কানেকশন' ও 'পিয়ালির পাসওয়ার্ড' এর মত বাংলা সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। ১৬ই মার্চ তার নতুন সিনেমা 'দ্বন্দ্ব' পুরো উত্তর অ্যামেরিকার হোম এন্টারটেইনমেন্ট মার্কেটে অ্যামাজন, নেটফ্লিক্স ও ব্লকবাস্টারের মাধ্যমে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। 'দ্বন্দ্ব' ১৬ই মার্চ ইতিহাস তৈরি করবে। এমনকি এটি প্রথম বাংলা সিনেমা যা একইসাথে ভারত এবং উত্তর অ্যামেরিকার মার্কেটে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে ডেটাবাজার মিডিয়া ভেঞ্চার-এর কারণে যারা উত্তর অ্যামেরিকায় 'ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো' তে বাংলা সিনেমা সরবরাহ করে। উত্তর অ্যামেরিকায় থেকে এভাবে বাংলা মুভি দেখতে পারা সত্যিই বিস্ময়কর, কারণ এখানে বাংলা ছবি মুক্তি পায় না।বিপ্লব: তো সম্রাট, ভিএনএন রেডিও তে স্বাগতম।সম্রাট: আমাকে নিমন্ত্রণ করার জন্য ধন্যবাদ, বিপ্লব।বিপ্লব: আপনার ক্যারিয়ারটা খুবই আন্তর্জাতিক। এই বয়সে হলিউড, বলিউড, টলিউড সবখানে অভিনয় করতে পারাটা সত্যিই বিস্ময়কর। তো এ নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতাটা কি আমাদের একটু বলবেন? আপনার তুলনামূলক অভিজ্ঞতাটা কেমন?সম্রাট: প্রথমেই বলতে চাই ছোটবেলা থেকেই যাদের ছবি দেখে এসেছি, যারা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে তাদের সাথে কাজ করতে পারায় আমি নিজেকে সম্মানিত ও ভাগ্যবান মনে করি। আমি বড় হয়েছি অ্যামেরিকার ম্যাসাচুসেটস এর বস্টনে। বাবা-মা কে অনেক ধন্যবাদ যে তারা আমাকে ছোটবেলায়ই বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। ৮ বছর বয়সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ও কবিতার সাথে আমার খুব ভাল পরিচয় হয়ে গিয়েছিল। এমনকি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার সাথেও সেই সূত্রে পরিচয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ছেলেপেলে বড় হয় টেলিভিশনে ককেশিয়ান অভিনেতাদের দেখতে দেখতে, ই.টি. এবং স্টার ওয়ারস এর মত সিনেমার সাথে পরিচয় ঘটে- আমার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। একদিন আমার মা অমিতাভ বচ্চনের 'নমক হালাল' নামে একটা সিনেমা ভাড়া করে নিয়ে আসে। এটাই আমার দেখা প্রথম বচ্চন সিনেমা এবং এটা দেখেই আমার মধ্যে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছিল। তরুণ অমিতাভ বচ্চন, বড় পর্দায় এতো সুন্দর সুন্দর গান, সেই প্রথম বড় পর্দায় এমন শক্তিশালী কোন ভারতীয় চরিত্র দেখা। সেটা ছিল বিস্ময়কর, আমাকে আরও ভারতীয় সিনেমা দেখতে অনুপ্রাণিত করেছিল। পরবর্তীতে অনেক ভারতীয় সিনেমা দেখেছি, যেমন সত্যজিৎ রায়ের অপু ত্রয়ী। এভাবেই আমার মাঝে সিনেমার অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা জেগে উঠে।ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে আমি স্পাইক লি-র মত পরিচালকদের সাথে কাজ করতে পেরেছি যিনি "ডু দ্য রাইট থিং" এর মত বিখ্যাত সিনেমা করেছেন। এটা আসলেই খুব বিস্ময়কর এবং অনেকটা একই রকম। ইন্ডাস্ট্রির কথা আসলে আপনি হয়তো বলিউড, টলিউড বা হলিউড বলবেন, কিন্তু আমি বরং বলিউডকে ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং টলিউডকে বেংগলি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নামে ডাকব কারণ এগুলো ইনডাস্ট্রি হতে চায় ব্যাপারটা এমন না, এরা সবাই স্বয়ংসম্পূর্ণ ইন্ডাস্ট্রি। বলিউড তথা ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তো অনেকদিন ধরে সিনেমা বানিয়ে আসছে। এমনকি এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। অনেকদিন থেকেই এটা সর্ববৃহৎ ছিল কিন্তু সম্প্রতি আন্তর্জাতিক দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছে।তবে আমি আবারও বলছি, ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, বেংগলি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং হলিউড অনেকটা একই রকম। আমি যেমন স্পাইক লি-র সাথে কাজ করতে পেরেছি যা আমার জন্য খুবই গর্বের বিষয়, তার করা "শি হেইট মি" সিনেমায় কাজ করেছি। তেমনি আবার অমিতাভ বচ্চনের সাথে কাজ করে ধন্য হয়েছি। বচ্চন ইয়াশ রাজ ফিল্মস এর ব্যানারে সিলসিলা করেছিলেন। সম্প্রতি ইয়াশ রাজ এর ব্যানারে হওয়া নিউ ইয়র্ক সিনেমায় আমি তার সাথে কাজ করতে পেরেছি। এটি আমার জন্য এক বিশাল উপহার ছিল এবং এর অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করছি। আবার সম্প্রতি টলিউড তথা বেংগলি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তে কাজ করাটাও অন্যরকম অভিজ্ঞতা দিয়েছে। অনেক বছর ধরেই আমি সৌমিত্র চ্যাটার্জির গুণমুগ্ধ, 'অপুর সংসার' দেখার পর থেকেই। দ্বন্দ্ব সিনেমায় তিনি আছেন, বং কানেকশনেও ছিলেন।কিন্তু দ্বন্দ্বের অভিজ্ঞতা খুব মনে পড়ছে। এমনকি সিনেমাটা ডাব করার সময় আমি সৌমিত্র্য চ্যাটার্জির সাথেই ছিলাম ডাবিং রুমে। আসলে আমি ডাবিং রুম থেকে বের হচ্ছিলাম আর তিনি ঢুকছিলেন। সে ছিল আমার জন্য খুব স্মরণীয় একটা মুহূর্ত। আমাদের মধ্যে কিছুক্ষণ আলাপ হয়েছিল, তিনি সত্যজিৎ রায়ের 'অরণ্যের দিনরাত্রি' সিনেমার সেটে ঘটা কিছু মজার অভিজ্ঞতা বলেছিলেন আমায়।এই কাজগুলো করতে পারায় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। তাছাড়া আমার অভিনয় ক্যারিয়ার আমাকে ভারত পুনরাবিষ্কারে সাহায্য করেছে, আমার বাবা-মা যেদেশ থেকে এসেছেন সেই দেশ পুনরাবিষ্কারে। আমি মেট্রো বা বাসে করে ঘুরতে পারছি এই দেশেরই একটি শহরে, সত্যজিৎ রায় যে স্থানগুলোতে শুটিং করেছিলেন সেগুলো নিজ চোখে দেখতে পারছি। আমার পূর্বপুরুষদের ভূমিতে ঘুরে ফিরতে পারছি। তাই এই তিনটি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পেরেই আমি ধন্য। এবং সত্যি বলতে এই তিনটা ইন্ডাস্ট্রিই একই মৌলিক ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে, যাদের গুণমুগ্ধ ছিলাম তাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে আমাকে যে পথ ধরে এগুতে হয়েছে সবখানেই তা একই ছিল। এবং সকল ক্ষেত্রেই যাত্রাগুলো ছিল চমকপ্রদ।বিপ্লব: আচ্ছা, এবার দ্বন্দ্বে ফিরে আসি। এখানে আপনার চরিত্রের মাধ্যমে বিবাহবহির্ভূত প্রেম এর সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে। আপনার এই চরিত্রায়ন কি প্রাকৃতিকভাবেই এসেছে, নাকি নিজের মত করে নতুনভাবে চরিত্রটি তৈরি করেছেন?সম্রাট: (হাসি) আপনি জানেন যে অভিনেতা হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে একটা গল্প সৎ, বিশ্বাসযোগ্য এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা। আমি অনেক ধরণের চরিত্রে অভিনয় করেছি- ইন্টারোগেটর, প্রেমিক; আর অভিনেতা হিসেবে আমাদের দায়িত্বের একটা বড় অংশ হচ্ছে নিজের আইডিয়া চরিত্রের মধ্যে নিয়ে আসা, নিজেদের মত করে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। কিন্তু একই সাথে এটা কল্পনা, সৃজনশীলতা এবং পারষ্পরিক সহযোগিতার অংশ যার সাহায্যে চরিত্রটা তৈরি হয়।বিপ্লব: চরিত্র রূপায়নে নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আপনি পরিচালক সুমনের কাছ থেকে কতটুকু স্বাধীনতা পেয়েছেন?সম্রাট: চরিত্রের মধ্যে নিজে থেকে কিছু যোগ করা, কিছু সৃষ্টি করা বা ক্ষেত্রবিশেষে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ সুমন আমাকে দিয়েছে। আমাকে নিজের মত করে কিছু যোগ করতে দেয়ার ক্ষেত্রে সুমনের সুস্পষ্ট দূরদৃষ্টি এবং উদারতা ছিল বিস্ময়কর। আমি মাঝেমধ্যেই কোন একটা লাইন বা কোন একটা মুহূর্ত নিয়ে তাকে প্রশ্ন করতাম, সে উত্তর দিত ঠিকই কিন্তু আবার বলত যেন আমি নিজে নিজে বিষয়টা ভেবে দেখি, নিজের মত করে। সে আসলে সত্যিকার অর্থেই এমন একটা পরিবেশ তৈরি করেছিল যাতে কাজটা স্বচ্ছন্দে এগিয়ে যেতে পারে। তার সাথে কাজ করে খুব ভাল লেগেছে, অনেক স্বাধীনতা পেয়েছি; এমন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন পরিচালকের সাথে কাজ করতে পারা এবং সুন্দরী অনন্যা চ্যাটার্জির প্রেমিক চরিত্রে অভিনয় করা, সত্যিই অনেক বড় ব্যাপার।বিপ্লব: আচ্ছা এবার অনন্যা চ্যাটার্জির প্রসঙ্গে আসি। তার সাথে কাজ করে কেমন লেগেছে? আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আপনি তাকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?সম্রাট: আমি মনে করি অনন্যা খুব শক্তিশালী এবং স্বতঃস্ফূর্ত একজন অভিনেত্রী। এখানে থেকে সে অনেক ভাল কাজ করতে পারবে। তার সাথে কাজ করে খুব ভাল লেগেছে এবং একই সাথে খুব মজাও পেয়েছি। কারণ সে খুব বিনয়ী, একইসাথে আবার খুব শক্তিশালী। চোখ দেখেই তার গভীর ব্যক্তিত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। সে খুব স্বতঃস্ফূর্ত, স্বভাবসিদ্ধ অভিনেত্রীদের মতোই অভিনয় করতে তার খুব একটা শ্রম দিতে হয় না। স্বাধীন, আন্তর্জাতিক বা হলিউড সিনেমায় আমি অনেকের সাথেই অভিনয় করেছি। যেমন 'কিসিং কাজিনস' এ ব্রিটিশ অভিনেত্রী রেবেকা হেজলউড এর সাথে কাজ করেছি। এলিজাবেথ রিজার হলিউড সিনেমা ও টেলিভিশন ফিল্মের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী, 'দ্য ওয়েডিং উইকএন্ড' সে আমার কো-স্টার ছিল। সত্যি বলতে অনন্যা তাদের একেবারে সমমানের, মেধা এবং পেশাদারিত্ব সকল দিক দিয়েই।বিপ্লব: তা জেনে ভাল লাগল। কিন্তু একজন দক্ষিণ এশীয় হিসেবে হলিউডে কাজ করতে গিয়ে কি আপনার কোন অসুবিধা হয় না? কারণ আমার অভিজ্ঞতা বলে, ককেশিয়ান না হলে হলিউডে অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া খুব কষ্টকর। সুতরাং আপনি কি মনে করেন, বলিউড এবং এখন টলিউড যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয় অভিনেতাদের জন্য নতুন সুযোগ করে দিচ্ছে?সম্রাট: হ্যা, আমি মনে করি এটা ধীর প্রক্রিয়া, কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ভারতীয় ও বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয় অভিনেতাদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে। এবং আমি মনে করি দ্বন্দ্বের একই সাথে অ্যামাজন, নেটফ্লিক্স এবং ব্লকবাস্টারের মত সবগুলো চ্যানেলে একই দিনে মুক্তি পাওয়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এগিয়ে যেতে হলে এ ধরণের কাজ আরও করতে হবে।অ্যামেরিকায় আমি স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি। শিক্ষকরা আমাকে অভিনয় করতে উৎসাহিত করে বলেছেন, ককেশিয়ান না হলেও কোন অসুবিধা নেই, অ্যামেরিকায় আন্তর্জাতিক পরিবেশ রয়েছে। তারপরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে বলতে হয় ককেশিয়ান না হয়ে হলিউডে নাম করা বেশ কষ্টকর। প্রখ্যাত আফ্রিকান-অ্যামেরিকান অভিনেতা সিডনি পোয়াটিয়ে আজ থেকে ৫৫ বছর আগে অস্কার পেয়েছিলেন। তখন থেকে এখন পর্যন্ত আর কতজন আফ্রিকান-অ্যামেরিকান সেরা অভিনেতা হিসেবে অস্কার পেয়েছেন? যথেষ্ট নয়। আমি আশাকরি এই ইন্টারনেট সমাজে সবকিছুর গতি যেহেতু আগের চেয়ে বেশি সেহেতু ভারতীয়দের তেমন অবস্থায় আসতে আরও কম সময় লাগবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে আমরা বেশ ধীর গতিতে আগাচ্ছি। আসলে আমাদেরকে আরও সংঘটিত হতে হবে, নিজেদের সম্প্রদায়কে আরও সমর্থন জোগাতে হবে। বৈশ্বিক বাজারে উন্নতি করার একটাই উপায় আছে, পাইরেসি-র মত কাজগুলো পুরোপুরি বন্ধ করা। এটা আমি আরও একবার বলতে চাই। ডিভিডি-র ক্ষেত্রে আমাদেরকে অবশ্যই পাইরেসি বন্ধ করতে হবে।বিপ্লব: আচ্ছা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলা সিনেমাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন এবং বাংলা সিনেমাকে বৈশ্বিক স্কেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার পরামর্শ কী?সম্রাট: একেবারে প্রথম থেকে শুরু করা যাক। সত্যজিৎ রায়ের সময়টাতে বাংলা সিনেমা যে শুধু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখেছে তাই নয় অনেক ক্ষেত্রে তাকে ছাড়িয়েও গেছে। এমনকি রায়ের "অপু ত্রয়ী" সেই সময়ই সব আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতেছে। আমি মনে করি, বর্তমানে তেমন পর্যায়ে পৌঁছানোর উপকরণ সবই আছে। কিন্তু আসল বিষয় হচ্ছে গল্প এবং নির্মাণ কৌশলের দিক দিয়ে উঁচু মান বজায় রাখা এবং সেটা ভালভাবে প্রকাশ করা।সুমন ঘোষের 'দ্বন্দ্ব'-এ নির্মাণ এর মান এবং গল্প খুবই সুন্দর। এতে রয়েছে বরুন মুখার্জির চমৎকার চিত্রগ্রহণ এবং ময়ূখ ভৌমিকের অনন্যসাধারণ সঙ্গীত যার সবই আন্তর্জাতিক মানের। তাই বলা যায় বাংলা সিনেমা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর মত অবস্থায়ই রয়েছে, এখন কেবল দরকার চলচ্চিত্র সম্প্রদায়টিকে সমর্থন জোগানো। এবং আবারও বলছি, সেটা পাইরেসির মাধ্যমে নয়, সঠিক চ্যানেলের মাধ্যমে করতে হবে।বৈশ্বিক ভারতীয় হিসেবে আমাদেরকে কম দামে পাইরেটেড ডিভিডি কেনা বা ভাড়া করা বন্ধ করতে হবে। কেউ যদি ডিভিডির মূল কপি না কিনে পাইরেটেড কপি কিনে তাহলে নির্মাতা অর্থ হারায়। আর যথেষ্ট আয় করতে না পারলে নির্মাতারা নতুন মানসম্পন্ন সিনেমা বানাতে পারেন না।বিপ্লব: আমি মনে করি বর্তমানে পাইরেসির চেয়ে ভয়ংকর জিনিস হচ্ছে টরেন্ট। কারণ বিট টরেন্টের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটার থেকে খুব সহজেই যেকোন কিছু পাওয়া যায়।সম্রাট: ঠিক তাই। সুতরাং আমি মনে করি যদি আমরা সুমন ঘোষ, ঋতুপর্ণ ঘোষ, অপর্ণা সেন এর মত চলচ্চিত্রকারদের সিনেমার মূল কপি কে সাপোর্ট করি তাহলে বাংলা বা ভারতীয় সিনেমা বৈশ্বিক মার্কেটে আরও এগিয়ে যেতে পারবে।বিপ্লব: আমার শেষ প্রশ্ন হচ্ছে, আপনার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা কী?সম্রাট: আমার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা খুবই সরল। আমি অভিনেতা হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে গল্প বলে যেতে চাই, বিশেষ করে এমন সব গল্প বলতে চাই যার সাথে বর্তমান সমাজের সম্পর্ক রয়েছে। তা সে হলিউড, ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বা বেংগলি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যেখানেই হোক না কেন। আমার কাছে সিনেমা একটি সর্বজনীন ভাষা। এটা বাংলা বা হিন্দি বা এমনকি ইংরেজিরও উর্ধ্বে। একটি নির্বাক চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব। আমি অভিনেতা হিসেবে এভাবে গল্প বলে যেতে চাই তা সে এলএ, নিউ ইয়র্ক, বোম্বে বা কলকাতা যেখানেই হোক। রেডিও লিংকঃhttp://www.vnnbangla.com/newsreader.aspx?id=2568
Tags: Databazaar, ananna, bengaly, chakraborty, chatterjee, flim., samrat, tollhywood
Share Twitter Facebook
Tuesday, March 16, 2010
সন্ত্রাস বন্ধ না হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না:নিরুপমা রাও
পুরুলিয়াতে বিস্ফোরক উদ্ধার সন্দেহের তীর মাওবাদীদের দিকে
Monday, March 15, 2010
পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের পরাজয় হবেঃ মমতা
মমতা বলেন, সিপিএমের সন্ত্রাস ও খুনের পাল্টা হিসেবে খুন নয়; মারের বদলে মার নয়। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলের দু কোটি কর্মী সিপিএমের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পথে ‘জনবিদ্রোহ’ করবে। তিনি বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের শেষ মৃত্যুঘণ্টা বাজবে। আগামী মে মাসে কলকাতা পৌরসভা সহ রাজ্যের ৮২টি পৌরসভার নির্বাচন। এর পরই ২০১১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
মমতা আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই রাজ্যের সন্ত্রাসের নায়ক। এত অত্যাচার করছে তবু আমরা শান্তি রক্ষা করছি। পশ্চিমবঙ্গকে আজ শেষ করে দিয়েছে সিপিএম। এক শ দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা দিয়ে বন্দুক কেনা হয়েছে। আর সর্বশিক্ষার নামে দেওয়া হচ্ছে বন্দুক-শিক্ষা। সিপিএমের মতো এত বড় সন্ত্রাসবাদী দল ভারতে নেই। যৌথ বাহিনীকে সামনে রেখে জঙ্গলমহলে সিপিএম এলাকা দখল করছে। তবে এমন এক দিন আসবে যেদিন এই কেন্দ্রীয় বাহিনীই সিপিএমের অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে শামিল হবে।
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী চিদাম্বরম
ভারত সরকার নতুন করে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে শুক্রবার পাকিস্তানকে যথারীতি সংকেত দেওয়া হয়েছে। গত মাসে পরমাণু অস্ত্রধারী দুটি দেশের মধ্যে আবার শুরু হওয়া সচিব পর্যায়ের বৈঠক কোনো সফলতা ছাড়া শেষ হলেও আরেকটি বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে পরস্পরের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন আশা সঞ্চারিত হয়েছে।
নয়াদিল্লীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানান, তারা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আলোচনা আবার শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, 'তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আরেক দফা আলোচনা করতে এখনও তৈরি রয়েছি।
২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনা গত মাসে নয়াদিল্লীতে শুরু হলেও পরবর্তী বৈঠকের সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়। ভারত সন্ত্রাসবাদ দমনের ওপর এবং পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে ওই বৈঠক ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেনি।
ইডেনে আসার আমন্ত্রণ নিয়ে মমতার বাড়ীতে জুহি
আগামীকাল ইডেনে নাইটরা মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে।সেই ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ নিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ী যান কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম কর্ণধার জুহি চ্যাওলা।
জুহি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মমতা তাঁর আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। তিনি আসবেন বলেছেন।আর এই আই পি এল ম্যাচগুলি সাধারণ মানুষের জন্য আয়োজিত।সাধারণ মানুষের সাহায্য ছাড়া তা আয়োজন করা যেত না।মানুষের সাহায্য আমরা সবসময় আশা করি।
এদিকে এই আমন্ত্রণের ব্যাপারে মমতা সাংবাদিকদের জানান, তিনি ইডেনে আসবেন ম্যাচ দেখতে। তবে জুহির আমন্ত্রণে তিনি ভি ভি আই পি ডেস্কে বসে খেলা দেখবেন না। সাধারণ দর্শকদের মাঝে বসে খেলা দেখবেন।
ইডেনে অস্থায়ী গ্যালারী নির্মাণে আপত্তি দমকলের, পদত্যাগের দাবী প্রতিমের
দমকল মন্ত্রী প্রতিম চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, দমকল দপ্তরের অনুমতি না নেওয়া হলে সিএবি প্রেসিডেন্ট ও সচিবের বিরুদ্ধে এফ আই আর করা হবে।