

প্রয়াত জ্যোতি বসুর দান করা চোখে দৃষ্টি ফিরে পেল দুই দৃষ্টিহীন। রোববার দুপুর ১টা নাগাদ প্রয়াত বসুর চোখের কর্নিয়া সংগ্রহ করেন সুশ্রুত আই ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের আই ব্যাংকের ডিরেক্টর ডা. রতিশ চন্দ্র পাল। গতকাল মঙ্গলবার তিনি বলেন, 'বসুর অনেক বয়স হলেও তাঁর চোখের দুটি কর্নিয়াই খুব ভালো অবস্থায় ছিল। সেপটিসেমিয়ায় কোনো ক্ষতি হয়নি। সফল অস্ত্রোপচার করে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে কাকে করা হয়েছে, তা বলা যাবে না। এটিই চিকিৎসাশাস্ত্রের নিয়ম। গ্রাফটিং করার পর আমরা ভালো ফলই আশা করছি।'
কর্নিয়া সংগ্রহের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন করতে হয়। জানা গেছে, দু'জনের চোখের সফল গ্রাফটিং হয়েছে। তবে ডা. রতিশ চন্দ্র পাল আর কিছু জানাতে চাননি। শুধু বলেন, সফল প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে বর্ষীয়ান এ নেতাকে দেখতেন ডা. সুনীল চন্দ্র বাগচী ও ডা. রতিশ চন্দ্র পাল।
ডা. পাল বলেন, '১৯৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর সুশ্রুত আই ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। তখন তিনিই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে তিনি হাসপাতালের খুঁটিনাটি,আর্থিক অবস্থা, রোগীদের চিকিৎসা কেমন হবে ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ দিতেন ও খোঁজখবর নিতেন। তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য শেষের দিকে আসতে পারতেন না। তখন আমরাই যেতাম তাঁর বাড়ী, বললেন ডাক্তাররা।
কর্নিয়া সংগ্রহের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন করতে হয়। জানা গেছে, দু'জনের চোখের সফল গ্রাফটিং হয়েছে। তবে ডা. রতিশ চন্দ্র পাল আর কিছু জানাতে চাননি। শুধু বলেন, সফল প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে বর্ষীয়ান এ নেতাকে দেখতেন ডা. সুনীল চন্দ্র বাগচী ও ডা. রতিশ চন্দ্র পাল।
ডা. পাল বলেন, '১৯৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর সুশ্রুত আই ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। তখন তিনিই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে তিনি হাসপাতালের খুঁটিনাটি,আর্থিক অবস্থা, রোগীদের চিকিৎসা কেমন হবে ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ দিতেন ও খোঁজখবর নিতেন। তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য শেষের দিকে আসতে পারতেন না। তখন আমরাই যেতাম তাঁর বাড়ী, বললেন ডাক্তাররা।
No comments:
Post a Comment