Thursday, January 28, 2010

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের খুনিদের ফাঁসি দেওয়া হলো


দীর্ঘ ৩৫ বছর বাংলাদেশের৮৬ সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের খুনিদের ফাঁসি দেওয়া হলো।এই খুনে জড়িত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লে. কর্নেল ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি), ল্যান্সার মেজর (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল (অব.) শাহরিয়ার রশিদ খানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর আগে গতকাল সকালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ দুই আসামির পুনরায় শাস্তি বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোন বাধা ছিলো না।

৫ আসামির ফাঁসি দেওয়া হয় ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেই কারণে বুধবার সন্ধ্যা থেকেই সংবাদ মাধ্যম মোটামুটি নিশ্চিত হয় যে, রাতেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। বিকেলে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তদের বাড়ীর লোকদের সাথে শেষ দেখা করতে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছিলো।

রাত ১২টা ১ মিনিটে মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও মহিউদ্দিন আহমেদকে (আর্টিলারি) ফাঁসি দেওয়ার মধ্য দিয়ে রায় অনুযায়ী ফাঁসি দেওয়া হয়। দু'জনকেই এক মঞ্চে একইসঙ্গে ফাঁসি দেওয়া হয়। ৯ মিনিট ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে রাখা হয়, পরে চিকিৎসক এসে পরীক্ষা করে এবং তাদের মৃত্ ঘোষনা করেন। তাদের বডি সরিয়ে নেওয়ার পর একই মঞ্চ নতুন করে ফাঁসির জন্য সাজানো হয়। আনা হয় নতুন ফাঁসূড়ে। এরপর পর পর বাকি ৩ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। আগেই রাত সোয়া ১১টায় কারাগারে আনা হয় ৫টি কফিন এবং ২টি চৌকি। কর্তৃপক্ষ রাতেই মৃতদেহ হস্তান্তর করে।


আইসিসির অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া



আইসিসির অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। বুধবার ক্রাইস্টচার্চে অধিনায়ক মিশেল মার্শের ৯৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেটে পরাজিত করে। শুক্রবারের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার ২০৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় অসিরা। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক মিশেল মার্শ এবং ট্রিফিট ৭৮ রান যোগ করে দলকে উদ্ধার করেন। মার্শ ১১০ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ৯৭ এবং ট্রিফিট ৭০ বলে করেন ৫০ রান করেন। ৯ বল হাতে রেখেই ২ উইকেটের জয় পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। তবে শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ১১ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট চলে যায় তাদের। ফার্নান্দো ৫২, ভিতানেজ ৪০ এবং অধিনায়ক পিয়েরিজের ৩৯ রানের অবদানে ৪৮.২ ওভারে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা টিম।

বহু আমেরিকান তরুণ বর্তমানে বেকার



মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দা বিশেষত তরুণদের জন্য এক প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী কৃষাঙ্গ আমেরিকান তরুণদের প্রতি পাঁচজনে একজন বেকার। মঙ্গলবার রয়টার্স অনলাইনে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।


শিকাগো আর্বান লীগ অ্যান্ড দ্য অলটারনেটিভ স্কুলস নেটওয়ার্কের গবেষকরা গবেষণাটি করেছেন। প্রতিবেদনটি লিখেছেন, বোস্টনের নর্থ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অ্যান্ড্রিউ সাম। তিনি প্রতিবেদনে জানান, ২০০৭ সালের শেষদিকে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কৃষাঙ্গ মার্কিন এবং স্বল্প আয়ের পরিবারের তরুণদের চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

শিকাগো আর্বান লীগের হার্মান ব্রিউয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, স্বল্প আয়ের ও সংখ্যালঘু তরুণরা, যারা খ কালীন চাকরির ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে চাকরির স্বপ্ন দেখত, তাদের চাকরির বাজার থেকে বের করে দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা ও দুর্বল করে ফেলা হয়েছে।

Monday, January 25, 2010

শুরু হল কলকাতা বইমেলা




আজ কলকাতার ইএম বাইপাসের মিলন মেলা প্রাঙ্গনে শুরু হল ৩৪ তম কলকাতা বইমেলা।এই বইমেলার উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য। এবারের বইমেলার থিম মেক্সিকো।সেই সূত্রে বহু বিশিষ্ট ভারতীয় বিশিষ্ট সাহিত্যিকের পাশাপাশি বেশ কিছু মাক্সিকান লেখক, কবি ও সাহিত্যিক উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।তবে আগামী বুধবার ২৭ শে জানুয়ারী থেকে থেকে সাধারণ মানুষের প্রবেশের অনুমতি মিলবে। কারন মেলায় এখনো অনেক স্টল তৈরী হয়নি।

এবারের বইমেলাকে রাজ্য সরকার বেশ কর ছাড় দিয়েছে। এবারের বইমেলার কর নির্ধারিত হয় প্রায় ৬২ লক্ষ টাকা, কিন্তু রাজ্য সরকার কর ছাড় দেওয়ায় তা মাত্র ৩৩ লক্ষ টাকায় নেমে আসে।এই কারণে বিভিন্ন মহলে সাড়া পড়ে গেছে। বইমেলার মত বাণিজ্যিক মেলাকে এভাবে বেশী পরিমাণে কর ছাড় দেওয়া নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, বইমেলার উপযুক্ত স্থান ময়দান।ময়দান থেকে বইমেলাকে সরিয়ে দেওয়ার নিন্দা করে তিনি পরিবেশ কর্মীদের একহাত নেন।

লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্ট্যোপাধ্যায় অসুস্থ




ভারতীয় লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্ট্যোপাধ্যায় (৮০) অসুস্থ। তাকে কলকাতার ধাকুরিয়ার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। বুকে সর্দি, জ্বর ও ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ঢাকুরিয়ার এমআরআই হাসপাতালে শনিবার ভর্তি হন।

২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাবের সন্মুখীন হতে হয়। সে সময় তাঁর দল সিপিআই (এম) স্পিকার পদ থেকে সোমনাথ বাবুকে পদত্যাগ করতে বলে। কিন্তু তিনি তার পার্টির ওই প্রস্তাব না মেনে ভারতের রাজনীতিতে বিতর্কের ঝড় তুলেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘স্পিকার নিরপেক্ষ, তার কোনো দল নেই’। শেষ পর্যন্ত সিপিআই (এম) সোমনাথ বাবুকে দল থেকে বহিস্কার করে।

এএমআরআই হাসপাতালের সুপার সুমন ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় শনিবার তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি ফুসফুসে সংক্রমনে সামান্য আক্রান্ত। তার সর্দি ও সামান্য জ্বর রয়েছে। তিনি আরও জানান, তাঁর ভয়ের কিছু নেই। এ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে তাঁকে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া



অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। রোববার কোয়ার্টার ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ১৪৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে এবং অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডকে ৬২ রানে পরাজিত করে। প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা বনাম অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজাপাকশের ৭৯ রানের মাধ্যমে ৮ উইকেটে ২৯৩ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৩৬.৪ ওভারে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা দল। দঃ আফ্রিকার হয়ে ৪৩ রান করেন রিচার্ডস।দলের হয়ে ব্যাট হাতে তিনিই সর্বোচ্চ রান করেন।

দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটের বিনিময়ে ২৩২ রান করে। মিশেল মার্শ সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন। ২৩৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৭০ রানে অলআউট হয়ে যায়।

Friday, January 22, 2010

এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ দিল্লীর ফিরোজ শা কোটলা




দিল্লীর ফিরোজ শা কোটলা স্টেডিয়ামে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি। যার ফলে ঐতিহ্যবাহী এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত হবে না একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচও। পরবর্তী তদন্তে সন্তুষ্ট হতে না পারলে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়তে পারে বলেও আইসিসির তরফে জানানো হয়েছে। তবে কোটলায় ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

আইসিসির তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'গত ২৭ ডিসেম্বর ভারত-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে ম্যাচ বাতিল হওয়ার পর পূর্ণ তদন্ত শেষেই কোটলাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। '



কোটলায় গত ২৭ ডিসেম্বর ভারত-শ্রীলঙ্কারর মধ্যে ওয়ানডে ম্যাচটি বাতিল হওয়ায়। নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু হলেও পিচকে খেলার উপযুক্ত নয় ঘোষণা করে ম্যাচটি বাতিল করেন মাচ রেফারি অ্যালান হার্স্ট। এই অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ারের রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করছিল কোটলার ভাগ্য। হার্স্টের রিপোর্ট পেয়ে কোটলাকে নিষিদ্ধ করে আইসিসি।

তবে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত আইপিএল থ্রী-র ম্যাচ হবে। আজ এব্যাপারে এক গরুরি বৈঠক করেন ভ চেয়ারম্যান লোলিত মো্দী।বৈঠকের শেষে তিনি জানান, কোতলায় আইপিএল-থ্রীর ম্যাচ হবে।

Thursday, January 21, 2010

পার্টিবাজি না ...?



ম্যাসাচুটেস-এ ডেমোক্রাটদের হারাটা এক নতুন গণতন্ত্রের সুচণা। আমাদের রাজ্যের মতন দীর্ঘদিন আমেরিকানরা ছিল পোলারাইজড ভোটার-৪২% ডেমোক্রাট, ৩৬% রিপাবলিকান। মোটে ২২% ছিল নিরেপেক্ষ।


আমার ধারনা ইন্টারনেট যত রাজনীতিবিদদের মুখ এবং মুখোশ খুলেছে, ম্যাসাচুটেসের মতন উচ্চশিক্ষিত বেলটে, নিরেপেক্ষ ভোটারের সংখ্যা ৫০% ছাড়িয়ে গেছে। ফলে ৫০ বছর ধরে জিতে আসা সিট ডেমোক্রাটরা হারাল। এবং বিজয়ী ভাষনে রিপাবলিকান সেনেটরটিও তার পার্টিকে ধন্যবাদ না দিয়ে বললেন নিরেপেক্ষ ভোটার দের জয় হৌক-এবং উনিও দলের উর্দ্ধে উঠে কাজ করবেন।


পশ্চিম বঙ্গে ১০% ও নিরেপেক্ষ ভোটার নেই। এটাকে বাড়িয়ে ৫০% করতে হবে। তাহলেই তৃণমূল আর সিপিএম জব্দ থাকবে। রাজনীতিবিদরা যে বড় অভিনেতা ছাড়া কিছু না-সেটা এক্সপোজ করতে হবে।

প্রয়াত জ্যোতি বসু দৃষ্টি ফিরিয়ে দিলেন দুই দৃষ্টিহীনের




প্রয়াত জ্যোতি বসুর দান করা চোখে দৃষ্টি ফিরে পেল দুই দৃষ্টিহীন। রোববার দুপুর ১টা নাগাদ প্রয়াত বসুর চোখের কর্নিয়া সংগ্রহ করেন সুশ্রুত আই ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের আই ব্যাংকের ডিরেক্টর ডা. রতিশ চন্দ্র পাল। গতকাল মঙ্গলবার তিনি বলেন, 'বসুর অনেক বয়স হলেও তাঁর চোখের দুটি কর্নিয়াই খুব ভালো অবস্থায় ছিল। সেপটিসেমিয়ায় কোনো ক্ষতি হয়নি। সফল অস্ত্রোপচার করে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে কাকে করা হয়েছে, তা বলা যাবে না। এটিই চিকিৎসাশাস্ত্রের নিয়ম। গ্রাফটিং করার পর আমরা ভালো ফলই আশা করছি।'

কর্নিয়া সংগ্রহের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন করতে হয়। জানা গেছে, দু'জনের চোখের সফল গ্রাফটিং হয়েছে। তবে ডা. রতিশ চন্দ্র পাল আর কিছু জানাতে চাননি। শুধু বলেন, সফল প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে বর্ষীয়ান এ নেতাকে দেখতেন ডা. সুনীল চন্দ্র বাগচী ও ডা. রতিশ চন্দ্র পাল।

ডা. পাল বলেন, '১৯৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর সুশ্রুত আই ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। তখন তিনিই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে তিনি হাসপাতালের খুঁটিনাটি,আর্থিক অবস্থা, রোগীদের চিকিৎসা কেমন হবে ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ দিতেন ও খোঁজখবর নিতেন। তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য শেষের দিকে আসতে পারতেন না। তখন আমরাই যেতাম তাঁর বাড়ী, বললেন ডাক্তাররা।

৩১ জন জীবিত উদ্ধার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হাইতিতে



হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে ভূমিকম্পের ৭ দিন বাদে ১২১ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গেছে। এদের মধ্যে ৩১ জনকে বুধবার এবং ৯০ জনকে মঙ্গলবার উদ্ধার করা হয়েছে। ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫ হাজারে ছাড়িয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা গোটা হাইতি জুড়ে ত্রাণ বিলি করছে। এছাড়াও গতকাল রাজধানীর অদূরে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এতে কোন হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। খবর এএফপি, এপি, রয়টার্স, বিবিসি, আল-জাজিরা অনলাইনের।

পোর্ট অব প্রিন্সে ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনও কিছু কিছু জীবিত মানুষকে পাওয়া যাচ্ছে। গত মঙ্গলবার রাজধানীর শপিং মলের ধ্বংসাবশেষ থেকে ২৫ বছরের এক মহিলাকে বের করা হয়।


উদ্ধারকর্মী থিয়েরি কার্ডেন বলেন, 'তার জ্ঞান আছে এবং ভালো অবস্থায় আছেন।'

জ্যোতি বসুর মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা



ব্যাঙ্গালোরের প্রিমিয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্স (এনআইএমএইচএএনএস) পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ সিপিআই (এম) নেতা প্রয়াত জ্যোতি বসুর মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করবে। ৯৬ বছর বয়সেও জ্যোতি বসু কীভাবে এত প্রাণবন্ত ছিলেন এবং এর পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে চায় ওই ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি।

জ্যোতি বসু ৯৬ বছর বয়সে গত রোববার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সল্টলেকের এএমআরআই হাসপাতালে। বেসরকারী সংবাদ মাধ্যমে সংস্থাটির ডিরেক্টর ডি নাগারাজা জানান, গবেষণার উদ্দেশ্যে বসুর মস্তিষ্ক তাদের প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করতে এসএসকেএম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে লিখিত আবেদন করার পরিকল্পনা নিয়েছেন তাঁরা।

Wednesday, January 20, 2010

জ্যোতিবাবু না ছত্রধর-আসল জননেতা কে?


জ্যোতিবাবু না ছত্রধর-আসল জননেতা কে?

এই প্রশ্ন তোলার এটা হয়ত সঠিক সময় না। তবুও তোলা উচিত।

ছত্রধরের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক আকাউন্ট, কোটি টাকা ইত্যাদি পশ্চিম বঙ্গের পুলিশ রটিয়েছে। যাদের নুন্যতম বিশ্বাসযোগ্যতাও নেই। শত্রু নিধনের সব ধরনের অনৈতিক এবং মিথ্যাচার সিপিএম করে থাকে। ছত্রধরের ওপর ক্যারাকটার এসাশিনেশনও ব্যাতিক্রম না। কিন্ত এই ভাবে মিথ্যে মামলা সাজিয়ে এটা ঢাকা যায় না কিভাবে সিপিএমের নেতারা আদিবাসিদের উন্নয়নের টাকা পকেটস্থ করেছেন। শুধু জঙ্গল মহল কেন। জলঙ্গীতে পদ্মার ভাঙনের টাকাতেও নেতাদের যে বিশাল বিশাল বাড়ি উঠেছে-আপনারা জাস্ট গিয়ে দেখে আসুন। নেতৃত্বের এই পচন এবং তাদের গা থেকে বেড়নো পচা মাছের গন্ধ, পুলিশ, আজকাল, গণশক্তি, ২৪ ঘন্টা দিয়েও সিপিএম ঢাকতে পারবে না।

ছত্রধর এই অন্যায় এবং শোষনের বিরুদ্ধে সাধারন মানুষের, তার নিজের মানুষদের মধ্যে দাঁড়িয়েছিলেন। ছত্রধর মাহাতো সিপিএমের এই কামানো যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই সাপের সহস্র ফণা তার দিকে হিস হিস করে উঠল-তাদের কোন মুখের নাম আজকাল, কারোর নাম ২৪ ঘণ্টা। এটাই রাষ্ট্রের আসল স্বরূপ। তাই ছত্রধর মিডিয়ার চোখে হলেন ভিলেন। আর জ্যোতিবসু-যিনি সস্নেহে পার্টি এবং নিজের পুত্রের সব ধরনের ঠিকাদারি ( পড়ুন জনগণের পকেট চুরি) অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের মতন অনুমোদন করেছেন, তিনি হলেন জননেতা।

হ্যা জননেতা হলেন জ্যোতিবসু-যার নেতৃত্বে পঞ্চায়েতে গরীব লোকেদের বরাদ্দ মেরে পার্টির নেতা ক্যাডারদের বাড়িঘর হল।আপনি বলবেন, উনার কি দোষ। উনিত সৎ ছিলেন। ধৃতরাষ্ট্রও কি অসৎ ছিলেন? দ্রোপদীর বস্ত্র হরণের সময় বাছা তোরা ঠিক করছিস না টাইপেরআব্বুলি করে গেছেন। অসৎ না-অকর্মনার প্রশ্রয়। যারা জনগনের পকেটমারদের নেতা তিনি-সেই অর্থে জননেতা ত বটেই। চোখ ছিল দিল্লীর সিংহাসনে। ক্ষমতার জন্যে বাজপেয়ীর হাত ধরে রাজীবের বিরুদ্ধে বাস্তববাদি 'বিরোধি' আন্দোলনও করেছেন। সিপিএম-সিপি আই বিভেদে সিপিএমে এলেন-কারন এখানে তার ভবিষ্যত ছিল-সিপি আই এ ছিল না। একজন আগাপাস্তা মধ্যম মেধার ধান্দাবাজ হয়ে উঠলেন জননেতা। আর আদিবাসিদের জন্যে, তাদের শোষনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছত্রধর হচ্ছেন রাষ্ট্রের চোখে দেশদ্রোহী। রাষ্ট্র যন্ত্রের এটাই আসল স্বরূপ। ক্ষমতাশীলদের বাস্তঘুঘুতে যে আঘাত দেবে সে হচ্ছে দেশোদ্রোহী-আর যিনি এই চক্রটাকে ভাল করে চালাতে পারবেন, তিনিই হচ্ছে জননেতা।

Tuesday, January 19, 2010

চীনে ভূমিকম্পে মৃত ৭


চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্পের ফলে ৭ জনের প্রাণহানি ও একজন নিখোঁজ।


গুইঝৌ ভূমিকম্প তথ্য ব্যুরোর ওয়েবসাইটে বলা হয়, গুইঝৌ প্রদেশের গুয়াংলিং জেলায় রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।

গুইঝৌ অসামরিক বিভাগের কর্মকর্তা ঝাও বলেন, 'ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট দু'বারের ভূমিধসে ৭ ব্যক্তির প্রাণহানি এবং এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। আমরা আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছি।'
এক সংবাদ সংস্থা জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪।

প্রয়াত জ্যোতি বসুর শেষকৃত্য সম্পন্ন, দেওয়া হলো গার্ড অফ অনার




চিরবিদায় নিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতি বসু। টানা ১৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শেষ পর্যন্ত হার মানলেন তিনি। গত রোববার সকাল ১১টা ৪৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জ্যোতি বসু। লাখো মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা আর অশ্রুকে সঙ্গী করে বিদায় নিলেন কিংবদন্তি এই রাজনৈতিক নেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। বর্ষীয়ান এই কমিউনিস্ট নেতার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে গেল ভারতীয় রাজনীতির এক দীর্ঘ অধ্যায়।

রোববার ১২টা ১০ মিনিটে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু হাসপাতালের বাইরে এসে বলেন, 'আমি একটা দুঃসংবাদ জানাচ্ছি আপনাদের। জ্যোতি বসু আর আমাদের মধ্যে নেই।' এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই কলকাতার সব রাস্তা যেন হয়ে ওঠে সল্টলেকের হাসপাতাল অভিমুখী। শোকের ছায়া নেমে আসে ভারতসহ উপমহাদেশজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এক শোকবার্তায় তাকে আখ্যায়িত করেছেন ভারতের মহান সন্তানদের একজন হিসেবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জ্যোতি বসুর মৃত্যুতে বাংলাদেশ হারিয়েছে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী, তিনি হারিয়েছেন একজন অভিভাবককে। প্রয়াত এই নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শেখ হাসিনা আজ কলকাতা আসেন।

গত ১ জানুয়ারি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন জ্যোতি বসু। তাকে ভর্তি করা হয় বিধাননগরের আমরি হাসপাতালে। ফুসফুসে সংক্রমণ, মাঝারি ধরনের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। ইন্ট্রা-ভেনাস অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছিল। কখনও স্থিতিশীল, কখনও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন জ্যোতি বসু। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য। কিন্তু তার বয়স বাদ সাধছিল। একের পর এক অঙ্গ বিকল হতে থাকায় গত শুক্রবার রাত থেকে তাকে পুরোপুরি 'লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে' রাখা হয়। হার্ট বিকল হতে শুরু করায় গত শনিবার মধ্যরাত থেকে শেষ চেষ্টা হিসেবে অস্থায়ী 'পেস মেকার' বসানো হয়। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হলো। প্রয়াত নেতাকে দেখতে এরপর একে একে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, কমিউনিস্ট নেতা প্রকাশ কারাত, সীতারাম ইয়েচুরি, লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়সহ কেন্দ্র ও রাজ্যের নেতারা। যান রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও।

প্রবীণ জননেতা জ্যোতি বসুর প্রয়াণে ভারতসহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। টিভিতে এই খবর ছড়িয়ে পড়ামাত্রই হাজার হাজার মানুষ ছুটে যান তাকে একবার দেখার জন্য এএমআরআই হাসপাতালের সামনে। জনতার ঢলে বারবার পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পড়ে। উপস্থিত জনতার মধ্যে শোকের মাতম দেখা যায়। তার মরদেহ শবদেহবাহিত গাড়িতে করে হাসপাতালের বাইরে আনা হলে জনতার মধ্যে কান্নার রোল ওঠে। অনেকেই চিৎকার করে 'কমরেড জ্যোতি বসু অমর রহে' স্লোগান তুলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কলকাতাসহ ভারতের সিপিএম পার্টি কার্যালয়ে রক্তপতাকা অর্ধনমিত করা হয়। কলকাতাসহ রাজ্যের সর্বত্র দোকানপাট অঘোষিতভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। সব মহল্লার মোড়ে তার প্রতিকৃতিতে মালা দেওয়া শহীদ বেদি দেখা যায়। প্রত্যেকটি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে তাকে নিয়ে সংবাদ পরিবেশিত হয়।

আজ তার শেষ কৃত্যে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী অচ্যুতানন্দন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক স্বরকার, প্রকাশ কারাট, বৃন্দা কারাট, সীতারাম ইয়েচুরি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় তাঁকে। তারপর তাঁর মরনোত্তর দেহ দানের প্রতিশ্রুতি থাকায় এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তাঁর নিথর দেহ তুলে দেওয়া হ্য়।

Monday, January 18, 2010

ভূমি সংস্কার ছাড়া জ্যোতি বাবুর ঝুলিতে সাফল্য বলতে আর কি আছে?



ভূমি সংস্কার ছাড়া জ্যোতি বাবুর ঝুলিতে সাফল্য বলতে আর কি আছে?
গ্রামের শ্রমিকদের রোজ পশ্চিম বঙ্গে সব থেকে কম। শিল্প উনার পোষ্যপুত্র সিটুর অত্যাচারে সুরসুর করে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়েছে। ক্ষুদ্র শিপ্লের জন্যে বিদ্যুতের জোগান টুকুও ঠিক ঠাক দিতে পারেন নি। গ্রামে জমিদারদের বদলে পার্টির নেতারা শোষকের স্থান নিয়েছে। সরকারি অফিসগুলোকে কোর্ডিনেশন কমিটির অফিস উনিই বানিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকতা এবং উপাচার্য্য হওয়ার একমাত্র কোয়ালিফিকেশন হচ্ছে লাল রঙের গেঞ্জী এবং জাঙ্গিয়া পড়ে ঘুরে বেড়ানো। মধ্যম মেধায় ছেয়ে গেছে পশ্চিম বঙ্গের শিক্ষায়াতনগুলি। বাংলা সিনেমা প্রায় উঠে গেছে। পার্ট গেঁষা নাট্যকার না হলে এই রাজ্যে টিকে থাকা মুশকিল।
একটা সেমি-ফ্যাসিস্ট স্বৈরতন্ত্রের তিনি জনক এবং বিধাতা। হিটলার এবং স্টালিনের ঝুলিতে তাও কিছু সাফল্য ছিল। কিন্ত এমন একটা মধ্যম মেধার চূড়ান্ত ব্যার্থ মুখ্যমন্ত্রী যিনি দ্বায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যত এবং বর্তমানকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করেছেন-তাকে নিয়ে নাচানাচি দেখে রাজ্যবাসী হিসাবে আমি লজ্জিত। স্তম্ভিত। না। উনি চূড়ান্ত ব্যার্থ একজন নেতা হিসাবেই ইতিহাসে জায়গা করে নেবেন। যারা একটা জাতি বা সভ্যতাকে ধ্বংশের পথে নিয়ে যায়-ইতিহাসের তাদেরও জায়গা থাকে।

Friday, January 15, 2010

ঝাড়গ্রামে সভা করলেন মমতা







আজ জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের উদ্যোগে পশ্চিম মেদনীপুরের ঝাড়গ্রামে সভা করলেন রেলমন্ত্রী তথা তৃণমুল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী, সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই সভায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাগম হয়।

সভায় মমতা ব্যানার্জী বলেন- ঝাড়্গ্রাম সহ সমগ্র পশ্চিম মেদনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলার আদিবাসী মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আর্থিক ভাবে যথেষ্ট পিছিয়ে আছেন। তিনি রাজ্যের ক্ষমতায় এলে এই সমস্ত এলাকায় মানুষের কাজ পাওয়ার ব্যবস্থা করবেন। লালগড়, শালবনী, বেলপাহাড়ি প্রভৃতি জায়গায় রেল লাইন বসিয়ে, কারখানা করার প্রতিশ্রুতি দেন।এতে এখানকার প্রচুর যুবক-যুবতীর কাজের সৃষ্টি হবে।এরফলে মানুষের সার্বিক উন্নয়ণ হবে।

ঢাকা গেলেন শারদ পাওয়ার



চার দিনের সফরে আজ ঙ্কেন্দ্রীয় কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী, আইসিসির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০১১-বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান শারদ পাওয়ার বাংলাদেশে যান। এছাড়া মহারাষ্ট্রের গ্রাম উন্নয়নমন্ত্রী জয়ন্ত পাতিল, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রী রাজেশ তোপে, আইসিসির উপদেষ্টা আইএস বিন্দ্রা, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহর ২০১১-বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের পরিচালক রত্নাকর শেঠি তার সঙ্গে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে তার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন শারদ পাওয়ার। শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইসিসির সভায় যোগ দেবেন।

সাগরমেলায় পদপিষ্ট হয়ে ৭ জনের মৃত্যু




হিন্দুদের তীর্থস্থান গঙ্গাসাগরে ফেরিতে ওঠার সময় পায়ের নিচে চাপা পড়ে ৭ জন মারা গেছে এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ৬ মহিলা ও এক শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কলকাতা থেকে ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে গঙ্গা নদীর মোহনায় ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে সেখানে লাখ লাখ পুণ্যার্থী জড়ো হন। প্রতি বছর শীতকালে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে ওই দ্বীপে বিরাট মেলা বসে।যেটি গঙ্গাসাগর মেলা নামে খ্যাত। এই মেলায় যাওয়া পুণ্যার্থীরা সেখানকার সাগরে স্নান করে পাপ মোচন ও পুণ্য অর্জন করা ছাড়াও ঋষি কপিলমুনির মন্দির দর্শন করে। বৃহস্পতিবার ভোরে কাকদ্বীপের এক জেটিতে ফেরিতে চড়ার সময় হুড়াহুড়ি থেকেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বসুর শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটপূর্ণ


পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তণ মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। হার্ট ও মূত্রাশয়সহ তার বেশ কয়েকটি প্রত্যঙ্গ ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।ধীরে ধীরে কমে আসছে হৃদস্পন্দন।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এএমআরআই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অজিত কুমার মাইতি সাংবাদিকদের জানান, চরম সংকটজনক অবস্থায় চলে গেছেন এই প্রবীণ নেতা। তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। ফুসফুস এবং মূত্র ও কিডনির অর্গানগুলোও দুর্বল হয়ে পড়েছে। হৃদস্পন্দনের গতি মারাত্মকভাবেনেমে এসেছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের অঘটন ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গল ও বুধবার দু'দফায় তার দেহে রক্ত দেওয়ার পর হিমোগ্গ্নোবিন লেভেল কিছুটা বেড়েছে। গতকাল হঠাৎ করেই পরিস্থিতি পাল্টে তার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক পর্যায়ে চলে যায়। বসুকে ভেন্টিলেটরএ রাখা হয়েছে এবং তার অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেড়ে গেছে।আজকের মেডিক্যাল বুলেটিনে তার সর্বশেষ অবস্থাকে 'চরম সংকটাপন্ন' বলে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা ।

Thursday, January 14, 2010

জ্যোতি বসুর শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কট জনক


জ্যোতি বসুর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে তার অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক। বেসরকারি হাসপাতাল এএমআরআই-এর সুপারিন্টেনডেন্ট ডাক্তার দেবাশীষ শর্মা বলেন, 'এই মুহুর্তে বসুর উচ্চ রক্তচাপ ও হৃৎকম্পন স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তিনি সামান্য জ্বরে আক্রান্ত।' তিনি আরও জানান, বসুকে আংশিক ভেন্টিলেশন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। ৯৬ বছর বয়সী এই কমিউনিস্ট নেতার হিমোগ্গ্নোবিনের মাত্রার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে বুধবারও আরেক ইউনিট রক্ত দেওয়া হয়েছে বলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার একে মাইতি জানান।
আজ বিকেলের বুলেটিনে বলা হয়, বসুর মূত্রের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।তাঁর শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কট জনক, তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। আগামী কাল বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে আবার বুলেটিন প্রকাশ করা হবে বলে হাসপাতাল সূত্র বলা হয়।তাঁর ডায়ালেসিস করা হবে।

প্লাস্টিক থেকে হৃদরোগের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে




প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থ থেকে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা একথা বলেছেন। এতে করে প্যাকেটজাত খাবার ও বোতল তৈরিতে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার দাবি আরও জোরালো হল। ২০০৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের জাতীয় পুষ্টি নির্ধারণ তথ্যের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ও মার্কিন গবেষকরা প্লাস্টিক উৎপাদনে ব্যবহৃত রাসায়নিক 'বিস্ফেনল' এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে প্রভূত গবেষণা করেছেন। এতে তারা দেখেছেন, 'বিস্ফেনল এ'র উচ্চমাত্রায় ব্যবহার থেকে হৃদরোগ হতে পারে। প্লাস্টিক উৎপাদনে ব্যবহৃত 'বিস্ফেনল এ'কে বিপিএ বলা হয়।



প্লাস্টিক উৎপাদনে এ রাসায়নিকের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে ব্রিটেন, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোর বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন। এই নতুন গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছে ইংল্যান্ডের পেনিনসুলা মেডিকেল স্কুলের এপিডেমিওলজি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ডেভিড মেলজার।

Wednesday, January 13, 2010

আজ সিপিএমের ডাকে দক্ষিণ ২৪ পরগণা বনধ পালিত হল




দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় আজ ১২ ঘন্টার বনধ পালিত হলো।সোম বার ক্যানিংয়ের নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের মাখালতলায় দুষ্কৃতিদের গুলিতে নিহত হন চার সিপিএম সমর্থক।সেই থেকে সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে চাপান-উতোর চলছিলো।এই ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে গ্রেফতার করে।আজকের এই বনধে আওতার বাইরে রাখা হয়- ইএম বাইপাস-রুবি হাসপাতাল, কসবা কানেক্টর, এনএসসি রোড, প্রিন্স আনোয়ার শা রোড, পুরো ডায়মন্ড হারবার রোড্‌, সমস্ত মেট্রো রেল পরিষেবা, সাগর মেলা যাওয়ার বিশেষ ট্রেন।

কিন্ত এগুলো ঘোষনা হয়েই থেকে গেছে। বনধ সমর্থকরা গড়িয়া, ডায়মণ্ড হারবার, ক্যানিং, বজবজ ইত্যাদি ষ্টেশনে অবব্রোধ করে শিয়ালদা দক্ষিন শাখার প্রায় সমস্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। সড়ক পথেও বনধ কারীরা অবরোধ করে। বিপাকে পড়ে সাধারণ মানুষ। দোকান-বাজার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।রাস্তায় যানবাহনের দেখা পাওয়া যায় নি।স্কুল-কলেজ, অফিস যাত্রীরা সমস্যায় পড়েন।

সিপিএমের উঁচুতলার নেতাদের বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও জোর করে আটকানো হয় এ্যাম্বুলেন্স, প্রেস,দুগ্ধ সরবরাহ কারী গাড়ি ও বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা প্রদান কারী গাড়ি। এর থেকে বোঝা যায় সিপিএমের উঁচুতলার নেতাদের সাথে নিচুতলার নেতা বা কর্মীদের মত পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। যা আগামী দিনে বিপদ ডেকে আনতে পারে ক্ষমতাসিন শাসক দলকে।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ও রাজ্যের মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা বলেন, এই খুনের পেছনে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত।

তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি শোভন চ্যাটার্জী বলেন, এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত নেই। নিহত চার সিপিএম সমর্থক দুষ্কৃতিদের গুলিতে মারা যান।

জ্যোতি বসু এখনো সঙ্কটজনক


পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তণ মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এখনও আংশিক ভেন্টিলেশনে আছেন। এই প্রবীণ নেতার গায়ে জ্বর রয়েছে। তিনি আচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছেন। তার হার্ট ঠিক রাখার জন্য লেনক্সিন ওষুধ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিডনিতে রক্তের সরবরাহ কমে গেছে। আজ আবার এক ইউনিট রক্ত দেওয়া হবে। তার মূত্রের পরিমাণ কখনো কমছে বা আবার কখনো ওষুধের মাধ্যমে বাড়ানো হচ্ছে।তার ফুসফুস বয়স জনিত কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে স্টিফ ল্যাং সিনড্রোম বলা হয় ।

অল ইন্ডিয়া মেডিকেল সায়েন্স(এইমস) প্রতিষ্ঠানের পরামর্শে বসুর কাটিসল লেভেল পরীক্ষায় জানা গেছে, তার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও যথেষ্ট কম। স্টিফ ল্যাং সিনড্রোমের জন্য যে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছিল তাও কাজ করতে পারছে না। আজ প্রখাশিত মেডিকেল বুলেটিনে এ কথা জানা গেছে। অবশ্য তার সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় সন্তোষজনক কিছু পাওয়া যায় নি।

ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা






ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি ও গভীর আনন্দমুখর আবহে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী প্রত্যক্ষ করলেন এই ঐতিহাসিক দৃশ্য। ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস সভানেত্রী তিন জনেরই আবেগঘন কথায় ছিল শেখ হাসিনার উদ্দেশে উচ্চারিত নানা বিশেষণ।



বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ইংরেজি ও বাংলায় ভাষণ দেন। তার এই পুরস্কার বাংলাদেশ ও ভারতের দরিদ্র মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করে বলেন, এ লক্ষ্যে দেশের মানুষের কাছে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের 'চিত্ত যেথা ভয়শূন্য' ও নজরুলের 'বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেই দিন হবো শান্ত' কবিতা উচ্চারণ করেন।



১৯৮৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কারের প্রবর্তন। শেখ হাসিনার আগে আরও ২৩ জন এই বিরল সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৮ সালে এই পুরস্কার পান। লোকসভার স্পিকার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, রাহুল গান্ধী, বিশিষ্ট রাজনীতিক, কূটনীতিক ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলেন।

Tuesday, January 12, 2010

আজ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবস




আজ ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের ১৪৮তম জন্মদিবস।এই দিনটিকে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে গণ্য করা হয়।সেই উপলক্ষ্যে বেলুড় মঠে প্রচুর ভক্ত ও সাধারন মানুষের সমাগম হয়।এছাড়া স্বামীজীর সিমলা স্ট্রিটের বাড়ীতেও প্রচুর মানুষ ও ভক্ত আসেন। সর্বত্র নিরাপত্তা ছিল যথেষ্ট। আজ কলকাতা সহ সারা দেশ জুড়ে এই দিনটি মহা সাড়ম্বরে পালিত হয়।

সকাল থেকে বিভিন্ন স্কুল সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রভাত ফেরী করে, স্বামিজীর সিমলা স্ট্রিটের বাড়ীতে এসে উপস্থিত হয়।

চীনে ২ কোটি ৪০ লাখ পুরষের বিয়ের জন্য পাত্রী পাওয়া যাবে না




চীনের ২ কোটি ৪০ লাখের বেশি পুরুষ ২০২০ সাল নাগাদ বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে পাওয়া পাবে না। সে দেশের সমাজবিজ্ঞান একাডেমীর এক সমীক্ষায় ওই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে বলে সোমবার বেজিংয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। নবজাত শিশুর ক্ষেত্রে ব্যাপক লৈঙ্গিক ভারসাম্যহীনতাই সম্ভাব্য সংকট সৃষ্টি করছে। খবর এএফপি ও বিবিসিঅনলাইনের।

চীনের একাডেমী অব সোস্যাল সায়েন্সের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বর্তমানে নবজাত শিশুর ক্ষেত্রে লৈঙ্গিক ভারসাম্যহীনতা ১৩০ কোটি জনঅধ্যুষিত দেশটির জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা বয়ে আনছে। এর পেছনে মূল কারণ হলো- ছেলে-মেয়ে বাছাই সংক্রান্ত গর্ভপাত। ঐতিহ্যগতভাবেই চীনারা পুত্রসন্তানে বেশী আগ্রহী। সমীক্ষায় বলা হয়, মেয়ে ভ্রূণের বেলায় গর্ভপাত চীনে স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে। গ্রামাঞ্চলে এর প্রকোপ আরো বেশি। লোকে মনে করে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে শক্তিশালী। তারা সহজে আয় করবে এবং বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করবে। এটিই চীনে লৈঙ্গিক বৈষম্য বাড়িয়ে তুলছে।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, নবজাত শিশুর লৈঙ্গিক ভারসাম্যহীনতা দিন দিন বাড়ছে। ২০০৫ সালে যেখানে ১০০ মেয়েশিশু জন্মালে পুরুষশিশু জন্মাত ১০৩ থেকে ১০৭, সেখানে ২০০৯ সালে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১০০ মেয়েশিশুর বিপরীতে জন্মেছে ১১৯ ছেলেশিশু। কোনো কোনো এলাকায় আবার ১০০ মেয়েশিশুর তুলনায় ছেলেশিশু জন্মেছে ১৩০।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সাল থেকে প্রথম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতি কার্যকর করে সেখানে সাধারণ এক পরিবারের জন্য এক শিশু গ্রহণ করার নিয়ম রয়েছে।

জ্যোতি বসু্র শারিরীক অবস্থা একই রকম



জ্যোতি বসুর শারিরীক অবস্থা একই রকম রয়েছে। তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় এক ইউনিট রক্ত দেওয়া হয়।তাঁর শরীরে ফ্লুইড জমে থাকার জন্য ডাক্তাররা ওষুধ দিয়ে ইউরিনের পরিমাণ বাড়ানো হয়।বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্টের মাধ্যমে জানা গেছে, আগের থেকে বসুর ইউরিনের পরিমাণ বেশ কিছুটা বেড়েছে। দেহে সোডিয়াম, পটাসিয়ামের পরিমাণ প্রায় স্বাভাবিক, রক্তচাপের পরিমাণ ১৪০/৭০।এখনো তিনি আংশিক ভেন্টিলেশনেই রয়েছেন । তিনি পুরোপুরি সঙ্কটমুক্ত নন। আজ এএমআরআই হাসপাতাল সূত্রে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে একথা জানানো হয়।আজ সন্ধ্যায় প্রাক্তণ মুখ্যমন্ত্রীর সিটি স্ক্যান করা হয়।

Friday, January 8, 2010

পরিধানযোগ্য কম্পিউটার এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীতে







খুব শিগগিরই ভারতের সেনাসদস্যদের হাতে আগ্নেয় অস্ত্রের পাশাপাশি ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার দেখা যাবে। হাতে ঘড়ির মতো ছোট মনিটরযুক্ত এই কম্পিউটার হবে ওজনে অত্যন্ত হালকা, কিন্তু কাজ করবে খুব শক্তিশালী ভাবে।




ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) এই কম্পিউটার তৈরি করছে। যুদ্ধের সময় অথবা যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই কম্পিউটার সৈন্যদের নানাভাবে সাহায্য করতে পারবে। টিমের অন্যদের সঠিক অবস্থান এবং সতর্ক সংকেত দেওয়ার পাশাপাশি পুরো পরিস্থিতি ঠিক করার ক্ষমতা থাকবে এর।এছাড়া সেন্সর ডাটা প্রসেসিং, ভিডিও এবং ভয়েস স্ট্রিমিং সুবিধাও থাকবে । উইন্ডোজ এক্সপি এবং লিন্যাক্স এই দুটি অপারেটিং সিস্টেম থাকছে এর মধ্যে।

বিদেশেও ন্যানো ছাড়বে টাটা মোটরস




আগামী তিন বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা গাড়ি 'ন্যানো' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছাড়তে পারে ভারতের গাড়ি নির্মাণ কোম্পানি টাটা মোটরস। নয়াদিলি্লতে এক গাড়ি প্রদর্শনীতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান টাটা মোটরসের চেয়ারম্যান রতন টাটা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ২০১১ সালে ইউরোপেও এই গাড়ি বিক্রির কথা বলেন তিনি।

টাটা বলেন, কেবল উন্নয়নশীল দেশে নয়, উন্নত দেশগুলোতেও ন্যানোর সম্ভাবনাময় বাজার আছে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ গাড়ি চালুর জন্য আমাদের বড় ইঞ্জিনের দরকার পড়বে এবং আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরিবর্তন করার দরকার হবে। আমরা এখন সেই প্রক্রিয়াই শুরু করেছি। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় গাড়ির বাজার।





এ সপ্তাহে পাওয়া হিসাবে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে চীনে। আর ন্যানো সবচেয়ে সস্তা গাড়ি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে এটি সবার নজর কেড়েছে।

ঠিক চিকিৎসা হয়নি প্রয়াত সুভাষের ঃ রমলা চক্রবর্তী






আজ এমআরআই হাসপাতালে জ্যোতি বাবুকে দেখতে আসেন রাজ্য সরকারের প্রয়াত মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর স্ত্রী রমলা চক্রবর্তী।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জ্যোতি বসুর মত সুভাষের চিকিৎসা করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁর অভিযোগ সুভাষের বেলাতে তড়িঘড়ি এরুপ ব্যবস্থা নিলে মারা যেতেন না তিনি।যেটা জ্যোতি বাবুর বেলায় করা হচ্ছে। বাইরের ডাক্তারদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তাঁর এটা অনেক দিনের অভিযোগ ছিলো। আগে এটা বলেন নি। তা না হলে হাসপাতাল ভাংচুর হয়ে যেত।

তপন সিনহার নামে হাসপাতালের শিলান্যাস হল আজ






টালিগঞ্জ স্পোর্টস কাউন্সিল রসা ইউনাইটেড ক্লাব ময়দান, চণ্ডীতলা দেশপ্রাণ শাসমল রোডের নিকটে তপন সিনহা মেমোরিয়াল মাট্রো হাসপাতাল নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর হাসপাতালের শিলান্যাস হল আজ।শিলান্যাস করলেন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানের সন্মানীয় অতিথিগণ হলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী সৌগত রায়, মন্ত্রী সি এম জাটুয়া, বিধান সভার বিরোধী দলনেতা পার্থ চ্যাটার্জী, সাংসদ কবীর সুমন, বিধায়ক অরুপ বিশ্বাস সহ সমগ্র টলিউডের অভিনেতা,অভিনেত্রী, গায়ক, পরিচালক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলেন সাংসদ কবীর সুমন। এখানে এক মঞ্চে দেখা গেল মমতা ব্যানার্জী ও কবীর সুমন। বেশ কিছুদিন ধরে তৃণমূল নেত্রী তাঁকে অতিথি প্রার্থী বলায় তিনি বেশ চটে গিয়েছিলেন। কিন্ত আজ তার ব্যতিক্রম দেখা গেলো।

জ্যোতি বসুর শারিরীক অবস্থা একই রকম



জ্যোতি বসুর শারিরীক অবস্থা আগের মত রয়েছে। তাঁকে আইসিসিউতেই রাখা হয়েছে। এখনো রাইলস টিউবের মাধ্যমে তরল খাবার দেওয়া হচ্ছে।তবে আজ এইমসের ডাক্তারদের ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সাহায্য নেওয়া হয়েছে। সেটির মাধ্যমে বসুর চিকিৎসার রুপরেখা তৈরী করা হবে। আজকের প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে একথাই বলা হয়েছে।তবে বসুর সঙ্কট এখনো কাটেনি।

এমআরআই হাসপাতালে জ্যোতি বাবুকে দেখতে আসেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়া, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু, রমলা চক্রবর্তী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Thursday, January 7, 2010

ভারতের সামনে ২৯৭ রানের টার্গেট



আইডিয়া কাপের তৃতীয় ম্যাচে ভারতকে জয়ের জন্য ২৯৭ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ৬ উইকেটের বিনিময়ে ৫০ ওভারে এই স্কোর করে। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ স্কোর করে।


এখন ভারত ব্যাট করছে। ভারতের ব্যাটিং শুরুতেই ৫০ রানের মধ্যে তিন উইকেট পড়ে যায়।


মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে তামিম ইকবালের ব্যাটিংয়ে দূরন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল ও ইমরুল কায়েস।তারা ৬৮ যোগ করে ১৪৮ রানের মাথায় ২৯ রানে জাদেজার বলে বোল্ড হন আশরাফুল। ১৫৬ রানের মাথায় অধিনায়ক সাকিব আল হাসান (০) রান-আউট ও ১৮৮ রানে ইমরুল কায়েস (৭০) নেহরার বলে বিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়েন। একশ বল খেলেন তিনি। ইমরুল পাঁচটি চার ও একটি ছক্কাসহ ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরিতে পৌঁছান ৮০ বলে।


২০৬ রানের মাথায় মুশফিকুর রহিম ৬ রান করে যুবরাজ সিংয়ের বলে জাদেজার হাতে ধরা পড়লে বড় স্কোরের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।