Tuesday, March 16, 2010

সন্ত্রাস বন্ধ না হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না:নিরুপমা রাও

এক সপ্তাহের জন্য আমেরিকা সফরে গিয়ে বিদেশ সচিব নিরুপমা রাও উইড্র উইলসন সেন্টারে নিজের ভাষণ দিতে গিয়ে জানান, দিল্লি আন্তরিক ভাবে একাধিকবার ভারত-পাক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইলে সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানের দ্বিচারিতা এই প্রয়াসে জল ঢেলে দিয়েছে৷ পাকিস্ত্রান সন্ত্রাস নিয়ে সারা দুনিয়ার সামনে এক কথা বলে, কিন্তু নিজেদের দেশে সন্ত্রাস বৃদ্ধি হয় এমন কাজ করে চলেছে৷ স্বাভাবিক ভাবে পাক মাটিতে সরাসরি সন্ত্রাসবাদীদের প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ সন্ত্রাসবাদীরা নানা ভাবে পাক মাটি ব্যবহার করে ভারতের ওপর আঘাত হানছে।
নিরুপমা রাও জানান, ভারত সন্ত্রাস বিরোধী, তাই শান্তি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের রাস্তা খোজার প্রয়াসকে যদি পাকিস্তান না মানে তাহলে বড় ভুল হবে৷ আপতত ভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে পাকাপাকি ভাবে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি৷
তিনি বলেন পাকিস্তানকে আগে সন্ত্রাস দমনে ইতিবাচক ও সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে৷ তার পরে দিল্লি আলোচনা শুরু করতে পারে৷ পাকিস্তান তাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে যে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ৷

পুরুলিয়াতে বিস্ফোরক উদ্ধার সন্দেহের তীর মাওবাদীদের দিকে

মাওবাদীদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে ও ঝাড়খন্ড সিমান্তে কেন্দ্রের উদ্যোগে যখন অপারেশন গ্রিণ হান্ট চলছে তখন তার বিরুদ্ধে সরব বহু বুদ্ধিজীবি থেকে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব৷ গ্রিণ হান্টের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা পাহাড়র সংলগ্ন এলাকা থেকে যৌথ বাহিনী তল্লাশি করার সময় প্রচুর পরিমানে বিস্ফোরক উদ্ধার করে৷ বিস্ফোরক থেকে পরিস্কার মাওবাদীরা কোন বড় ধরনের বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছিল৷
ঘটনার পরে এলাকা জুড়ে নতুন করে তল্লাশি শুরু করা হয়৷ বিস্ফোরক ও নানা ধরনের বিস্ফোরণের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে আরও দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে৷ আটক হওয়া ব্যক্তিরা স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে৷ তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিস্ফোরক কোথা থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখার চেষ্ঠা করছে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা৷
পাশাপাশি জিঙ্গাসাবাদ করে জানা্র চেষ্ঠা করা হচ্ছে কি কাজে এই বিস্ফোরক ব্যবহার করা হত তাও৷ পুলিশ আসছে বুঝতে পেরে দুইজন সন্দেহভাজন বিস্ফোরক ভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্ঠা করে৷ তার পরে ব্যাগ জঙ্গলে ফেলে দেয় তারা। পালানোর চেষ্ঠা করলে পুলিশের কাছেতারা ধরা পড়ে যায়৷
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যৌথ বাহিনীর অপারেশনে দিশেহারা মাওবাদীরা এখন যে কোন ভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ করতে মরিযা। তার জন্য এই প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক সংগ্রহ করার চেষ্ঠা করছিল মাওবাদীরা৷ দুইজনকে তল্লাশি চালিয়ে 300 ডিটোনেটার ও 100 জিলেটিন স্টিক পেয়েছে পুলিশ।

Monday, March 15, 2010

পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের পরাজয় হবেঃ মমতা

পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাঁর দল সন্ত্রাসে বিশ্বাসী নয়; তাঁরা শান্তিতে বিশ্বাসী। তাই রাজ্যে সিপিএমের সন্ত্রাস রুখতে এবার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াবে দুই কোটি তৃণমূল সেনা।

মমতা বলেন, সিপিএমের সন্ত্রাস ও খুনের পাল্টা হিসেবে খুন নয়; মারের বদলে মার নয়। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলের দু কোটি কর্মী সিপিএমের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পথে ‘জনবিদ্রোহ’ করবে। তিনি বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের শেষ মৃত্যুঘণ্টা বাজবে। আগামী মে মাসে কলকাতা পৌরসভা সহ রাজ্যের ৮২টি পৌরসভার নির্বাচন। এর পরই ২০১১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
মমতা আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই রাজ্যের সন্ত্রাসের নায়ক। এত অত্যাচার করছে তবু আমরা শান্তি রক্ষা করছি। পশ্চিমবঙ্গকে আজ শেষ করে দিয়েছে সিপিএম। এক শ দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা দিয়ে বন্দুক কেনা হয়েছে। আর সর্বশিক্ষার নামে দেওয়া হচ্ছে বন্দুক-শিক্ষা। সিপিএমের মতো এত বড় সন্ত্রাসবাদী দল ভারতে নেই। যৌথ বাহিনীকে সামনে রেখে জঙ্গলমহলে সিপিএম এলাকা দখল করছে। তবে এমন এক দিন আসবে যেদিন এই কেন্দ্রীয় বাহিনীই সিপিএমের অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে শামিল হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী চিদাম্বরম

ভারত সরকার নতুন করে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে শুক্রবার পাকিস্তানকে যথারীতি সংকেত দেওয়া হয়েছে। গত মাসে পরমাণু অস্ত্রধারী দুটি দেশের মধ্যে আবার শুরু হওয়া সচিব পর্যায়ের বৈঠক কোনো সফলতা ছাড়া শেষ হলেও আরেকটি বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে পরস্পরের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন আশা সঞ্চারিত হয়েছে।

নয়াদিল্লীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানান, তারা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আলোচনা আবার শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, 'তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আরেক দফা আলোচনা করতে এখনও তৈরি রয়েছি।

২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনা গত মাসে নয়াদিল্লীতে শুরু হলেও পরবর্তী বৈঠকের সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়। ভারত সন্ত্রাসবাদ দমনের ওপর এবং পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে ওই বৈঠক ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেনি।

ইডেনে আসার আমন্ত্রণ নিয়ে মমতার বাড়ীতে জুহি

আগামীকাল ইডেনে নাইটরা মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে।সেই ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ নিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ী যান কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম কর্ণধার জুহি চ্যাওলা।

জুহি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মমতা তাঁর আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। তিনি আসবেন বলেছেন।আর এই আই পি এল ম্যাচগুলি সাধারণ মানুষের জন্য আয়োজিত।সাধারণ মানুষের সাহায্য ছাড়া তা আয়োজন করা যেত না।মানুষের সাহায্য আমরা সবসময় আশা করি।

এদিকে এই আমন্ত্রণের ব্যাপারে মমতা সাংবাদিকদের জানান, তিনি ইডেনে আসবেন ম্যাচ দেখতে। তবে জুহির আমন্ত্রণে তিনি ভি ভি আই পি ডেস্কে বসে খেলা দেখবেন না। সাধারণ দর্শকদের মাঝে বসে খেলা দেখবেন।

ইডেনে অস্থায়ী গ্যালারী নির্মাণে আপত্তি দমকলের, পদত্যাগের দাবী প্রতিমের

ইডেনে আই পি এল ম্যাচের জন্য অস্থায়ী গ্যালারী নির্মাণের ব্যাপারে প্রবল আপত্তি জানালেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী প্রতিম চট্টোপাধ্যায়। অস্থায়ী গ্যালারী নির্মাণের ব্যপারে অনুমতি নেওয়া হয়নি। এব্যাপারে শুরু থেকে আপত্তি জানিয়ে এসেছে দমকল দপ্তর। আবার গতকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের কর্ণধার শাহরুখ খানের কোন নিরাপত্তা ছাড়া গ্যালারীতে বসে খেলা দেখা নিয়ে আপত্তি তুলেছে দমকল দপ্তর।

দমকল মন্ত্রী প্রতিম চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, দমকল দপ্তরের অনুমতি না নেওয়া হলে সিএবি প্রেসিডেন্ট ও সচিবের বিরুদ্ধে এফ আই আর করা হবে।

Friday, March 12, 2010

দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রীসভায় ক্যাবিনেট বৈঠকে

2011 সালের বিধানসভার জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি দরকার বুঝতে পেরে এবার সরকারকে আরও জনমুখী ও বাস্তবাদী করার জন্য সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রীসভা৷ পাশাপাশি রাজ্যের কোন প্রান্তের উন্নয়ন মূলক প্রকল্প দ্রুত শেষ করার ব্যাপারে রাজ্য মন্ত্রীসভার সকল সদস্যকে স্থানীয় জেলা, এলাকায় বিধায়ক ও দলের কর্মীদের সঙ্গে পরামর্শ করার ব্যাপারে রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷ রাজ্য বিধানসভায় ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবে নেওয়া হয়েছে৷ আপাত ভাবে সিদ্ধান্তকে মুখ্যসচিব বা দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরও বেশি সমন্বয় বৃদ্ধি'র জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ বাস্তবে 2011 সালের নির্বাচন মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত৷ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু সময় বিধানসভায় যখন কোন ব্যাপারে মন্ত্রী বিরোধীদের বা দলীয় সাংসদদের প্রশ্নের উত্তর দেন তখন বাস্তব চিত্রের সঙ্গে মন্ত্রীর উত্তর মেলে না৷ তার বড় কারণ মন্ত্রীরা বহু সময় প্রকল্পের তদারকি ব্যক্তিগত ভাবে করে উঠতে পারেন না৷

বুদ্ধবাবুকে হত্যার কোন পরিকল্পনা নেই মাওবাদীদের সি আই ডি কে জানালো দীপক

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য়ের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধীতা অথবা মতাদর্শগত ভাবে পার্থক্য থাকলে তাকে খুন করার কোন পরিকল্পনা মাওবাদীদের নেই তা জেরার মুখে জানিয়ে দিলেন শীর্ষ মাওবাদী নেতা দীপক৷ ভবানীভবনে সি আই ডি দপ্তরে জেরা করা হচ্ছে এই মাওবাদী নেতা'কে৷ তিনি জানান যদি মাওবাদীদের মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যা করার কোন পরিকল্পনা থাকত তাহলে মাওবাদীরা এতদিনে তা করে ফেলত৷ প্রসঙ্গত 2008 সালে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে িস্পাত কারখনার শিল্যান্যাস অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বুদ্ধবাবু সহ তত্কালীন সার ও রয়াসন মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান ও জিতিন প্রসাদ৷ মুখ্যমন্ত্রী কনভয় পাস করার সময় ল্যান্ড মাইন ফাটিয়ে বিস্ফোরণ করানো হয়৷ মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ী কনভেয়ের সামনের দিকে থাকায় অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেও বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়৷

এর পরে পুলিশ মাওবাদীদের সন্ধানে লালগড় অপারেশন শুরু করে৷ মাওবাদীদের অভিযোগ তখন থেকে শুরু হয় লালগড় জুড়ে মাওবাদী নিধ্নের নামে পুলিশি সন্ত্রাস৷ দীপক জেরায় জানিয়েছেন তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিস্ফোরণের পরে সামনে বিদ্যুতের খুটি থেকে হাইটেনশন লাইন উড়িয়ে দেওয়ার৷ তা করার জন্য ল্যান্ড মাইন পোঁতা হয়েছিল৷ তাহলে মুখ্যমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কনভয় আটক পড়ত৷ সারা দেশের সামনে তাদের সমস্যার কথা উঠে আসত৷

এদিকে জেরায় দীপক মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার করার কোন পরিকল্পনা না থাকলে বলে দাবি করলেও সি আই ডি কর্তারা তা মানতে নারাজ৷ মুখ্যমন্ত্রী'কে হত্যা পরিকল্পনা ছিল জানালে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা হতে পারে, পাশাপাশি ভাবে জনসর্মথনের ভিত্তি দুর্বল হতে পারে আশঙ্কা করে এমন মন্তব্য করেছেন বলে পুলিশ কর্তাদের ধারণা৷ পাশাপাশি দীপক স্বীকার করেছে তার সঙ্গে এল টি টি জঙ্গিদের যোগ ছিল৷

মহিলা বিল পাশ নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিল কেন্দ্র

৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল রাজ্যসভায় পাশ হবার পর, এবার তা লোকসভায় আনা হত। সে ব্যাপারে ঠিজ হয় যে, আগামী ১৫ কিংবা ১৬ ই মার্চ লোক সভায় এই বিলটি পেশ করা হবে। কিন্তু তা এখন থমকে গেল। কারণ লোক সভায় লালু প্রসাদ যাদব বা মূলায়ম সিংহ যাদবের দলের সাংসদের সংখ্যা এয়াজ্যসভার থেকে বেশী। ফলে মহিলা বিল নিয়ে লোকসভায় এদের বাধার সন্মুখীন হতেই হবে কেন্দ্রের ইউ পি এ সরকারকে।

এদিকে কেন্দ্রের ইউ পি এ সরকারের শরিক তৃণমূল কংগ্রেস এই বিল বয়কট করে। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদের সংখ্যা কম। কিন্তু লোকসভায় তাদের সাংসদ বেশী। সেই কারণে ইউ পি এ সরকারকে লোক সভায় মহিলা বিল পাশ করাতে হলে তৃণমূলের সমর্থন দরকার আছে।তাই এই বিলের ব্যাপারে শরিক তৃণমূলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতেই রাজি।এই বিলের ব্যাপারে বামেদের সকল সাংসদই সমর্থন জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী সংসদে অর্থ বিল পাশ করার ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি নেওয়ারি পক্ষপাতী। কারণ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে লোকসভায় সরকারকে যথেষ্ট সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

Wednesday, March 10, 2010

সংসদে পাশ হল মহিলা সংরক্ষণ বিল

সংসদের দুই কক্ষেই পাশ হয়ে গেল ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল। তবে লোকসভায় এই বিল আগে পাশ হয়। কিন্তু গতকাল সংসদের আরেক কক্ষ রাজ্যসভায় এই বিল পেশ হতেই কংগ্রেসের অনেক সাংসদরা এই বিলের বিরোধিতা করে। তাদের সাথে যোগ দেয় লালু প্রসাদ যাদব, রামবিলাস পাসোয়ান সহ অনেকে।

তবে এই বিলের সমর্থন জানায় কংগ্রেসের বেশীরভাগ সাংসদ সহ বিজেপি ও বামেরা। বামেদের কোন সাংসদই এই বিলের বিরোধিতা করেনি, তাদের সকল সাংসদই বিলের পক্ষে ভোট দেয়। তবে ইউ পি এ সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক তৃনমূল কংগ্রেসের সাংসদরা গরহাজির ছিলেন। তারা কোনো ভোট দান পর্বে উপস্থিত ছিল্রন না।

এ ব্যাপারে তৃণমূল নেত্রী বিশেষ কিছু সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলতে চাননি। মমতার েহেন আচরণে যথেষ্ট বিস্নিত ইউ পি এ চেয়ার পার্সন সোনিয়া গান্ধী। কারণ এই বিলের ব্যাপারে আগে ক্যাবিনেট বৈঠক করা হয়েছিলো, তাতে ইউ পি এ সরকারের রেলমন্ত্রী হিসেবে মমতা ব্যানার্জী সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে বিলের ব্যাপারে কোন কথা বলেননি বলে জানা গেছে।যদি এই বিলের প্রতি তাঁর কোনো আপত্তি ছিলো তাহলে তিনি কেন তা ক্যাবিনেট বৈঠকে বলেননি ? বা কেন সংসদের ভোটাভুটি পর্বে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস কেন অনুপস্হিত ছিলো ? এই নিয়েই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

তবে এদিনের সংবাদ মাধ্যমে বলা মমতা ব্যানার্জীর কথায় সরকারের প্রতি স্ববিরোধের ছাপ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, বিলের ব্যাপারে আগে থেকে কিছু জানানী হয়নি, তাই কোন মতামত দিতে চাই নি বলেই অনুপস্থিত ছিলাম। তবে তাঁর দলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী সুলতান আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আরো আলোচনার প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তৃণমূল নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে এক জন মহিলা হয়ে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আপত্তি করলেন। এটা যথেষ্ট বিস্ময়ের ব্যাপার। কারণ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবী উঠছিলো, তাঁর বাস্তবায়ণ ঘটলো এবার।

চার ক্রিকেটারকে সাসপেন্ড করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

পাক বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও বোর্ডের নিয়মনীতি না মানার জন্য পাক বোর্ড পাকিস্তান দলের দুই সব থেকে সিনিয়ার ক্রিকেটার ও প্রাক্তণ অধিনায়ক মহম্মদ ইউসুফ ও ইউনিস খানকে আ-জীবনের জন্য সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ পাশাপাশি আরও এক প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিক, অল-রাউন্ডার রানা নাভেদকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড ও 20 লক্ষ টাকা ফাইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি ভাবে টি-20 দলের অধিনায়ক সৈইদ আফ্রিদি, কামরান আকমলকে 30 লক্ষ টাকা জরিমান করা হয়েছে৷

বোর্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতি'তে জানানো হয়েছে, আফ্রিদি ও আকমল ভাইদের বোর্ড আগামী ছয় মাস কড়া নজরে রাখবে৷ তারা যদি কোন ভাবে দল বিরোধী কার্যকলাপ অথবা বোর্ডের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তাহলে তাদের কড়া শান্তি দেওয়া হবে৷ বোর্ডের এই ধরনের সিদ্ধান্তে হতবাক পাক ক্রিকেটার থেকে প্রাক্তণ তারকা'রা৷

বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অষ্ট্রেলিয়াতে টেষ্ট ও একদিনের সিরিজে পাক দলের ভরাডুবি হওয়ার পরে পাক বোর্ড খারাপ ফলের কারণ অনুসন্ধান করতে এক বিশেষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে৷ সেই কমিটি তার রির্পোটে জানিয়েছে অষ্ট্রেলিয়াতে পাক দলের মধ্যে শৃঙ্খলা বলে কিছু ছিল না৷ শৃঙ্খলা না থাকার কারণে দলের সিনিয়ার খেলোযাড়দের অভিযুক্ত করা হয়েছিল৷ এবার কমিটির সুপারিশ মেনে বোর্ড এদের সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

হার্টের সুরক্ষায় উপকারী কফি

কফি খান৷ কফি শুধু আপনার এনার্জী বাড়াবে তা নয়৷ মনকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি আপনার অনিয়মিত হৃদস্পন্দনকেও স্বাভাবিক করে তুলবে । সম্প্রতি একটি গবেষণাতে এই গুরুতেপূর্ণ তথ্যটি জানানো হয়েছে ৷
কিছুদিন আগেই আমেরিকাতে কফির গুনাগুণ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন ডাঃ আর্থার ক্লাটস্কাই৷ তিনি 130,054 জন পুরুষ-মহিলাকে নিয়ে গবেষণা করেছিলেন৷ যাদের প্রত্যেকেরই বয়স ছিল 18 থেকে 90 বছরের মধ্যে৷ এদের মধ্যে যারা প্রতিদিন চার কাপ বা তার বেশি কফি খেয়েছেন তাদের মধ্যে হার্ট সংক্রান্ত নানা সমস্যা 18% কমে গেছে৷ অপরদিকে যারা এক থেকে তিন কাপ কফি খেয়েছেন তাদের 7% হার্টের সমস্যা কম হয়েছে৷