Tuesday, March 16, 2010
সন্ত্রাস বন্ধ না হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না:নিরুপমা রাও
পুরুলিয়াতে বিস্ফোরক উদ্ধার সন্দেহের তীর মাওবাদীদের দিকে
Monday, March 15, 2010
পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের পরাজয় হবেঃ মমতা
মমতা বলেন, সিপিএমের সন্ত্রাস ও খুনের পাল্টা হিসেবে খুন নয়; মারের বদলে মার নয়। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলের দু কোটি কর্মী সিপিএমের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পথে ‘জনবিদ্রোহ’ করবে। তিনি বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেই সিপিএমের শেষ মৃত্যুঘণ্টা বাজবে। আগামী মে মাসে কলকাতা পৌরসভা সহ রাজ্যের ৮২টি পৌরসভার নির্বাচন। এর পরই ২০১১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
মমতা আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই রাজ্যের সন্ত্রাসের নায়ক। এত অত্যাচার করছে তবু আমরা শান্তি রক্ষা করছি। পশ্চিমবঙ্গকে আজ শেষ করে দিয়েছে সিপিএম। এক শ দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা দিয়ে বন্দুক কেনা হয়েছে। আর সর্বশিক্ষার নামে দেওয়া হচ্ছে বন্দুক-শিক্ষা। সিপিএমের মতো এত বড় সন্ত্রাসবাদী দল ভারতে নেই। যৌথ বাহিনীকে সামনে রেখে জঙ্গলমহলে সিপিএম এলাকা দখল করছে। তবে এমন এক দিন আসবে যেদিন এই কেন্দ্রীয় বাহিনীই সিপিএমের অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে শামিল হবে।
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী চিদাম্বরম
ভারত সরকার নতুন করে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে শুক্রবার পাকিস্তানকে যথারীতি সংকেত দেওয়া হয়েছে। গত মাসে পরমাণু অস্ত্রধারী দুটি দেশের মধ্যে আবার শুরু হওয়া সচিব পর্যায়ের বৈঠক কোনো সফলতা ছাড়া শেষ হলেও আরেকটি বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে পরস্পরের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন আশা সঞ্চারিত হয়েছে।
নয়াদিল্লীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানান, তারা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আলোচনা আবার শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, 'তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আরেক দফা আলোচনা করতে এখনও তৈরি রয়েছি।
২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনা গত মাসে নয়াদিল্লীতে শুরু হলেও পরবর্তী বৈঠকের সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়। ভারত সন্ত্রাসবাদ দমনের ওপর এবং পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে ওই বৈঠক ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেনি।
ইডেনে আসার আমন্ত্রণ নিয়ে মমতার বাড়ীতে জুহি
আগামীকাল ইডেনে নাইটরা মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে।সেই ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ নিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ী যান কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম কর্ণধার জুহি চ্যাওলা।
জুহি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মমতা তাঁর আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। তিনি আসবেন বলেছেন।আর এই আই পি এল ম্যাচগুলি সাধারণ মানুষের জন্য আয়োজিত।সাধারণ মানুষের সাহায্য ছাড়া তা আয়োজন করা যেত না।মানুষের সাহায্য আমরা সবসময় আশা করি।
এদিকে এই আমন্ত্রণের ব্যাপারে মমতা সাংবাদিকদের জানান, তিনি ইডেনে আসবেন ম্যাচ দেখতে। তবে জুহির আমন্ত্রণে তিনি ভি ভি আই পি ডেস্কে বসে খেলা দেখবেন না। সাধারণ দর্শকদের মাঝে বসে খেলা দেখবেন।
ইডেনে অস্থায়ী গ্যালারী নির্মাণে আপত্তি দমকলের, পদত্যাগের দাবী প্রতিমের
দমকল মন্ত্রী প্রতিম চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, দমকল দপ্তরের অনুমতি না নেওয়া হলে সিএবি প্রেসিডেন্ট ও সচিবের বিরুদ্ধে এফ আই আর করা হবে।
Friday, March 12, 2010
দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রীসভায় ক্যাবিনেট বৈঠকে
বুদ্ধবাবুকে হত্যার কোন পরিকল্পনা নেই মাওবাদীদের সি আই ডি কে জানালো দীপক
এর পরে পুলিশ মাওবাদীদের সন্ধানে লালগড় অপারেশন শুরু করে৷ মাওবাদীদের অভিযোগ তখন থেকে শুরু হয় লালগড় জুড়ে মাওবাদী নিধ্নের নামে পুলিশি সন্ত্রাস৷ দীপক জেরায় জানিয়েছেন তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিস্ফোরণের পরে সামনে বিদ্যুতের খুটি থেকে হাইটেনশন লাইন উড়িয়ে দেওয়ার৷ তা করার জন্য ল্যান্ড মাইন পোঁতা হয়েছিল৷ তাহলে মুখ্যমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কনভয় আটক পড়ত৷ সারা দেশের সামনে তাদের সমস্যার কথা উঠে আসত৷
এদিকে জেরায় দীপক মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার করার কোন পরিকল্পনা না থাকলে বলে দাবি করলেও সি আই ডি কর্তারা তা মানতে নারাজ৷ মুখ্যমন্ত্রী'কে হত্যা পরিকল্পনা ছিল জানালে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা হতে পারে, পাশাপাশি ভাবে জনসর্মথনের ভিত্তি দুর্বল হতে পারে আশঙ্কা করে এমন মন্তব্য করেছেন বলে পুলিশ কর্তাদের ধারণা৷ পাশাপাশি দীপক স্বীকার করেছে তার সঙ্গে এল টি টি জঙ্গিদের যোগ ছিল৷
মহিলা বিল পাশ নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিল কেন্দ্র
এদিকে কেন্দ্রের ইউ পি এ সরকারের শরিক তৃণমূল কংগ্রেস এই বিল বয়কট করে। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদের সংখ্যা কম। কিন্তু লোকসভায় তাদের সাংসদ বেশী। সেই কারণে ইউ পি এ সরকারকে লোক সভায় মহিলা বিল পাশ করাতে হলে তৃণমূলের সমর্থন দরকার আছে।তাই এই বিলের ব্যাপারে শরিক তৃণমূলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতেই রাজি।এই বিলের ব্যাপারে বামেদের সকল সাংসদই সমর্থন জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী সংসদে অর্থ বিল পাশ করার ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি নেওয়ারি পক্ষপাতী। কারণ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে লোকসভায় সরকারকে যথেষ্ট সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
Wednesday, March 10, 2010
সংসদে পাশ হল মহিলা সংরক্ষণ বিল
সংসদের দুই কক্ষেই পাশ হয়ে গেল ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল। তবে লোকসভায় এই বিল আগে পাশ হয়। কিন্তু গতকাল সংসদের আরেক কক্ষ রাজ্যসভায় এই বিল পেশ হতেই কংগ্রেসের অনেক সাংসদরা এই বিলের বিরোধিতা করে। তাদের সাথে যোগ দেয় লালু প্রসাদ যাদব, রামবিলাস পাসোয়ান সহ অনেকে।
তবে এই বিলের সমর্থন জানায় কংগ্রেসের বেশীরভাগ সাংসদ সহ বিজেপি ও বামেরা। বামেদের কোন সাংসদই এই বিলের বিরোধিতা করেনি, তাদের সকল সাংসদই বিলের পক্ষে ভোট দেয়। তবে ইউ পি এ সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক তৃনমূল কংগ্রেসের সাংসদরা গরহাজির ছিলেন। তারা কোনো ভোট দান পর্বে উপস্থিত ছিল্রন না।
এ ব্যাপারে তৃণমূল নেত্রী বিশেষ কিছু সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলতে চাননি। মমতার েহেন আচরণে যথেষ্ট বিস্নিত ইউ পি এ চেয়ার পার্সন সোনিয়া গান্ধী। কারণ এই বিলের ব্যাপারে আগে ক্যাবিনেট বৈঠক করা হয়েছিলো, তাতে ইউ পি এ সরকারের রেলমন্ত্রী হিসেবে মমতা ব্যানার্জী সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে বিলের ব্যাপারে কোন কথা বলেননি বলে জানা গেছে।যদি এই বিলের প্রতি তাঁর কোনো আপত্তি ছিলো তাহলে তিনি কেন তা ক্যাবিনেট বৈঠকে বলেননি ? বা কেন সংসদের ভোটাভুটি পর্বে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস কেন অনুপস্হিত ছিলো ? এই নিয়েই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
তবে এদিনের সংবাদ মাধ্যমে বলা মমতা ব্যানার্জীর কথায় সরকারের প্রতি স্ববিরোধের ছাপ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, বিলের ব্যাপারে আগে থেকে কিছু জানানী হয়নি, তাই কোন মতামত দিতে চাই নি বলেই অনুপস্থিত ছিলাম। তবে তাঁর দলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী সুলতান আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আরো আলোচনার প্রয়োজন।
পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তৃণমূল নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে এক জন মহিলা হয়ে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আপত্তি করলেন। এটা যথেষ্ট বিস্ময়ের ব্যাপার। কারণ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবী উঠছিলো, তাঁর বাস্তবায়ণ ঘটলো এবার।
চার ক্রিকেটারকে সাসপেন্ড করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড
পাক বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও বোর্ডের নিয়মনীতি না মানার জন্য পাক বোর্ড পাকিস্তান দলের দুই সব থেকে সিনিয়ার ক্রিকেটার ও প্রাক্তণ অধিনায়ক মহম্মদ ইউসুফ ও ইউনিস খানকে আ-জীবনের জন্য সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ পাশাপাশি আরও এক প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিক, অল-রাউন্ডার রানা নাভেদকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড ও 20 লক্ষ টাকা ফাইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি ভাবে টি-20 দলের অধিনায়ক সৈইদ আফ্রিদি, কামরান আকমলকে 30 লক্ষ টাকা জরিমান করা হয়েছে৷
বোর্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতি'তে জানানো হয়েছে, আফ্রিদি ও আকমল ভাইদের বোর্ড আগামী ছয় মাস কড়া নজরে রাখবে৷ তারা যদি কোন ভাবে দল বিরোধী কার্যকলাপ অথবা বোর্ডের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তাহলে তাদের কড়া শান্তি দেওয়া হবে৷ বোর্ডের এই ধরনের সিদ্ধান্তে হতবাক পাক ক্রিকেটার থেকে প্রাক্তণ তারকা'রা৷
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অষ্ট্রেলিয়াতে টেষ্ট ও একদিনের সিরিজে পাক দলের ভরাডুবি হওয়ার পরে পাক বোর্ড খারাপ ফলের কারণ অনুসন্ধান করতে এক বিশেষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে৷ সেই কমিটি তার রির্পোটে জানিয়েছে অষ্ট্রেলিয়াতে পাক দলের মধ্যে শৃঙ্খলা বলে কিছু ছিল না৷ শৃঙ্খলা না থাকার কারণে দলের সিনিয়ার খেলোযাড়দের অভিযুক্ত করা হয়েছিল৷ এবার কমিটির সুপারিশ মেনে বোর্ড এদের সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷